reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১২ ঘণ্টা আগে

ফারুক মাহমুদের কবিতা

স্থান

ইতিহাসে ছিল শেওলা জড়ানো জটা

ভূগোলে দেখেছি কাঁটাতার ঘেরা মাটি

আমরা কিন্তু উল্টে ফেলেছি স্মৃতি

স্বচ্ছ করেছি- অমূল্য পরিপাটি

চলাতে বলাতে কঠিন সীমানারেখা

সামনে পেছনে সেয়ানা গুপ্তচর

মিলিত মানুষ পরাজিত হবে কেন

পেয়েছি স্বদেশ অনেক রক্তের পর

পোড়ামাটি থেকে ফুটেছে কুসুমকলি

আগুন হয়েছে বিপুল আলোকরেখা

আমাদের পথ মিলেছে নতুন পথে

আমরা শিখেছি জীবনকবিতা লেখা

সুরের তুলিতে কত রং ছবি আঁকি

বিরহ মিলনে গানের সঙ্গে থাকি।

অবস্থান

অজস্র আলোর মধ্যে ঘুমানোর থেকে

মুগ্ধকর অন্ধকারে জেগে থাকা ভালো

যুক্তির জড়তা যদি, থেমে যাবে ঘড়ি

সকালে সমুদ্র যাবে বিকেলে ফোয়ারা

যখনি রাত্রির কাছে শুরু সেই ক্লান্তি

ফুলের ছায়ার মতো থাকবে না ঘ্রাণে

গল্পের পেছনে গল্প, অমুদ্রিত, জলো

তা-ই যদি সত্যি হয়, এসো ফিরে যাই

তালাবদ্ধ আকাশে নয়, খোলা চোখে

বিমুগ্ধ পিপাসাগুলো দেখাটাই শ্রেয়

প্রাপ্তির পাথর তলে ঘুমানোর থেকে

আকাঙ্ক্ষার বজ্রবুকে জেগে থাকা ভালো।

ঘর

হতে পারে হতভাঙা ঘর

ঝড়েপড়া বৃক্ষদের মতো

থুবড়ে আছে দরজার কপাট

লৌহমলে ঢেকে গেছে জানালার শিক

হতে পারে মেঝে জুড়ে নত মুখে বসে আছে ছেড়াখোড়া ছায়া

হতে পারে ভুলে গেছি কত দূরে অপেক্ষার প্রিয় অন্বেষণ

সকালে বৃষ্টির ধুম, বিকেলটা খুব উচ্ছলিত

অন্ধকার ফাঁক করে হেসে আছে দার্শনিক চাঁদ

এদের দূরত্বে রেখে কোথাও যাব না

আমাদের অশ্রুরেখা খুব ছোট নয়

তারপরও কিছু কান্না কাঁদা বাকি আছে

হাতে যখন সময় এলো-

ঘর, তোমার শিয়রে বসে

উহ্য থাকা কান্নাগুলো মন খুলে কেঁদে নিতে চাই।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়