নিজস্ব প্রতিবেদক
গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা পাশে চাই : এম এ জলিল

‘ডিবির মাধ্যমে বাংলাদেশের ৫০ হাজার মানুষকে নাগরিকত্ব দিয়েছে আমেরিকা। জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্বের অসহায় গরিব মানুষের পক্ষে দাঁড়ায় দেশটি। বিশ্বের যা কিছু কল্যাণকর তার সবই করেছে আমেরিকা। মানুষের ভোটের অধিকার ও বাক-ব্যক্তির স্বাধীনতার পক্ষে সব আছে আমেরিকায়। এই মহান দেশ যুক্তরাষ্ট্র নামে পরিচিত।’ আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। রাজধানীর তোপখানায় বাংলাদেশ শিশুকল্যাণ পরিষদে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক নিম চন্দ্র ভৌমিক। বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অকৃত্তিম বন্ধু। গণতান্ত্রিক সমাজ এবং সমাজ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়তে যুক্তরাষ্ট্রকে আমরা পাশে চাই।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সচিব ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক ভূঁইয়া, বিএনএফ ভাইস চেয়ারম্যান এওয়াইএম কামরুল ইসলাম বাবু, বিএনএফ ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, দন্ত চিকিৎসক কে এম হাফিজুর রহমান, গ্রীন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খান, শেখ বাদশা উদ্দিন মিন্টু, জনকল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান দেওয়ান রাইয়ান ইসলাম, মানবতাবাদী কবি ও নারী নেত্রী এলিজা রহমান ও বিউটি বেগম।
বক্তারা বলেন, আধুনিক গণতান্ত্রিক ও মানবিক বিশ্ব গড়তে গণতান্ত্রিক সব দেশের ঐক্য চাই। যে ঐক্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসী ও মানবতাবিরোধী পাকিস্তান এবং চীনকে রুখতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সব দেশের মানুষদের দারিদ্র্য ও মাদকমুক্ত করে পরিবেশবান্ধব দেশ নির্মাণ করা যাবে। তবেই আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস পালনের স্বার্থ খুঁজে পাব আমরা। আমেরিকাকে ভালোবাসী, কারণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় সিনেটর এড ওয়ার্ড টেড কেনেডি, শিল্পী রবি শংকর, জজ হেরিসনসহ অনেক শিল্পী ও মার্কিন নাগরিক বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন দিয়েছে ও অর্থনৈতিক সাহায্য করেছে। আমেরিকা বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু।
"





































