শেরপুর প্রতিনিধি
আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শেরপুরে ছাত্রদের ‘কফিন মিছিল’

গাজীপুরে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ কাশেমের মৃত্যুর প্রতিবাদে ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শেরপুরে কফিন মিছিল হয়েছে।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় শহরের থানার মোড় হতে কফিন মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা।
পরে মিছিলটি নিউমার্কেট হয়ে কলেজ মোড় শহীদ মাহবুব চত্বরে এসে শেষ হয়। সমাবেশে তারা ৪ আগস্ট আওয়ামী দোসরদের বুলেট ও গাড়ি চাপায় শহীদ শিক্ষার্থীদের হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।
এ সময় তারা- ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’; ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’; ‘আমার ভাই কফিনে, খুনি কেন বাহিরে’; ‘ছাত্র-জনতার অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’; ‘হৈ হৈ রৈ রৈ, খুনি হাসিনা গেলি কই’; ‘মুজিববাদ মুর্দাবাদ, ইনকিলাব জিন্দাবাদ’; ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’- ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে তারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, এসময় নেতৃবৃন্দরা বলেন, হাসিনা জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালিয়েছে। দীর্ঘ ১৭বছর ভিন্নমতের মানুষদের আয়নাঘরের মতো জায়গায় নিয়ে শাস্তি দিয়েছে। দুই হাজার প্রাণের বিনিময়ে স্বৈরাচারকে হটিয়েছি আমরা। তবে স্বাধীনতার ৬ মাস পরেও বিপ্লবীদের নতুন করে শহীদ হতে হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এর জবাব দিতে হবে।
আমাদের শেরপুরে ১৩জন ভাই এই আন্দোলনে শহীদ হয়েছে। আমাদের এই ভাই গুলোর হত্যাকারী আওয়ামী লীগের সেইসব ঘাতকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। সেইসাথে এই মাটিতে আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে। এছাড়াও দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা শহীদ ভাইয়ের সামনে শপথ নিচ্ছি, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কবর নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা থামব না।
এছাড়াও এসময় নেতারা বলেন, দেশে চলমান 'ডেভিল হান্ট' অপারেশন চললেও শেরপুরে আমরা তেমন অপারেশন দেখতে পাচ্ছি না। আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং হত্যা মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবীর রুপ ধরে আছে। এদিকে পুলিশ তাদের আটক না করে তারা গ্রেফতার করছে ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতৃবৃন্দদের। এসব চলবে না।
এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শেরপুরের আহবায়ক মামুনুর রহমান, সদস্য সচিব শাহনুর রহমান সাইম, মুখপাত্র ফারহান ফুয়াদ তুহিন, মূখ্য সংগঠক মোর্শেদ জিতু, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মুনিবুল ইসলাম সহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শেরপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
পিডিএস/এমএইউ









































