হাবিপ্রবি প্রতিনিধি

  ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শিক্ষার্থীদের অনাস্থায় হাবিপ্রবির মেডিকেল সেন্টার

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) মেডিকেল সেন্টারে কনসালটেন্ট সংকট, উন্নত ইসিজি মেশিন (জাপানি) সংকট, পুরনো মডেলের ব্লাড সেল কাউন্টার মেশিন, চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা না পাওয়া সহ বিভিন্ন কারণে মেডিকেল সেন্টারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বর্তমানে ইসিজি মেশিন, সেমি অটো বায়োকেমিস্ট্রি এনালাইজার, এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় মেডিকেল সেন্টারটিতে। পাশাপাশি মাত্র ৩ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা । রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হচ্ছে এনালগ এক্স-রে মেশিন (LISTEM 500 MA)। ফলে রোগ নির্ণয়ে ভুল ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার বর্তমানে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে ব্যর্থ। প্রতিদিন অসংখ্য শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে সেবার জন্য মেডিকেল সেন্টারে এলেও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম অভাবে সঠিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, দেশের সব জায়গাতেই যেখানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে সেখানে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি এই মেডিকেল সেন্টারটিতে। এখনো এনালগ মেশিন ব্যবহার হচ্ছে জেনে অবাক হয়েছি। উন্নত মানের চিকিৎসা নিশ্চিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত।

মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি চীফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এক্স-রে মেশিন ডিজিটালাইজ করাসহ সামগ্রিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট বারবার আবেদন দেওয়া হলেও এ বিষয়ে সাড়া পাওয়া যায় নি। তবে বর্তমান ভিসি স্যারের সাথে কথা হয়েছে। তিনি এ বিষয়টি নজরে নিবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এ বিষয়ে আবেদন পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা ইউজিসি তে প্রেরণ করা হবে। ওখান থেকে অর্থ বরাদ্দ পেলেই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারবো।

উল্লেখ্য শিক্ষার্থী বা রোগীদের বসার পর্যাপ্ত জায়গা নেই মেডিকেল সেন্টার টিতে। রোগীদের শয্যা সংকট তো রয়েছেই। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে মেডিকেল সেন্টারের সম্প্রসারণ (তিন তলা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টার) বাজেট পাশ করেছিলেন তৎকালীন উপাচার্য প্রফেসর মো. রুহুল আমিন (২০০৭ - ২০০৮)। সে কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি।

পিডিএস/এমএইউ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
হাবিপ্রবি,চিকিৎসা সেবা
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়