জবি প্রতিনিধি

  ০৭ জুলাই, ২০২৬

নথির অভাবে থেমে আছে ধুপখোলা মাঠের উন্নয়ন : জকসু নেতা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত ধুপখোলা মাঠের মালিকানাসংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নেই বলে দাবি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ জর্জিস আনোয়ার নাইম। তার দাবি, মালিকানাসংক্রান্ত এই জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই মাঠটির উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গতকাল সোমবার জকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ফুটবল বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন জর্জিস আনোয়ার নাইম।

জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর ধুপখোলা মাঠের মালিকানা সম্পর্কে জানতে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে তাকে জানানো হয়, মাঠটি সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন নয় এবং এ সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র তাদের কাছে নেই। তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হওয়ার পর পরই আমি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা জানায়, এই মাঠ তাদের নয়। তাদের কাছে এ মাঠের কোনো কাগজপত্রও নেই। জর্জিস আনোয়ার নাইম বলেন, বিষয়টি জকসুর সভায় আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি ভিসির সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাঠের কাগজপত্র উদ্ধার কিংবা মালিকানা নির্ধারণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তিনি আরো বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন জেলায় ফুটবল টার্ফ নির্মাণ ও পুনঃনিমাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধুপখোলা মাঠকে এমন কোনো প্রকল্পের আওতায় আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ জন্য জকসুর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠের মালিকানা নিয়ে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে ক্রীড়া সম্পাদক বলেন, ধুপখোলা মাঠ তিনটি অংশে বিভক্ত। এর একটি অংশ স্থানীয় বাসিন্দাদের, একটি অংশ ইস্টার্ন ক্লাবের এবং বাকি অংশটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বলে দাবি করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিকৃত অংশেরও কোনো মালিকানাসংক্রান্ত নথিপত্র বর্তমানে প্রশাসনের কাছে নেই। তিনি বলেন, ‘মাঠের কোনো বৈধ কাগজপত্র আমাদের কাছে নেই। ফলে আমরা এর আইনগত মালিকও নই। এ কারণে মাঠ উন্নয়নের জন্য মাটি ভরাট, বালু ফেলা কিংবা অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ করা যাচ্ছে না।’ মালিকানাসংক্রান্ত জটিলতার সমাধান এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র উদ্ধার করা গেলে ধুপখোলা মাঠের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়