দুলাল হক, রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও)

  ৪ ঘণ্টা আগে

ঠাকুরগাঁও

রুহিয়ায় প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রুহিয়া উপজেলার ৩ নম্বর রাজাগাঁও ইউনিয়নের ১টি কাঁচা রাস্তার কাবিটার বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আসাননগর গ্রামের বিল্পবের বাড়ি থেকে মাসুদ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা রাস্তাটির সংস্কার কাজের জন্য কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের এক লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের চেয়ারম্যান মনোনীত হন রাজাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মাসুদ রানা। তার নেতৃত্বেই কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।

সরেজমিনে কথা হয় ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা মরহুম মংলু মোহাম্মদের পুত্র আপতাবর, ঝরুয়া, শুকরু, মসলিমের স্ত্রী মুক্তাসহ আরো কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে। তারা জানান, বিগত ১৫ দিন আগে ৯-১০ জন লোক ওই রাস্তায় ২ দিন কাজ করেন। তাদের একজনের একদিনের মজুরি ৫০০ টাকা করে প্রদান করে মাসুদ মেম্বারের নেতৃত্বে প্রকল্প কমিটি। শ্রমিকরা অন্য জায়গা থেকে মাটি বা বালি এনে দেওয়ার কথা থাকলেও তারা প্রকল্প কমিটির নির্দেশে রাস্তার দু পারের মাটি কেটে দায়সারাভাবে রাস্তাটি সমান করার চেষ্টা চালায়। এতে বৃষ্টি হলে রাস্তাটি আরো কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। ফলে ওই এলাকার জনগণ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। এলাকাবাসী সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে রাস্তাটি পুনরায় সংস্কারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান রাজাগাঁও ইউনিয়নের ১ নম্বর আসাননগর ওয়ার্ডের সদস্য মাসুদ রানা বলেন, প্রকল্পের বরাদ্দের ৬০ হাজার টাকা আমি উত্তোলন করেছি। বাকি কাজ সম্পন্ন করে আরো ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করব। কাজটি এখনো ভালোভাবে শুরু করিনি। কেবল রাস্তাটি কেটে খাল সমান করেছি। আশপাশে কোথাও মাটি পাওয়া যাচ্ছে না। বাইরে থেকে মাটি এনে বাকি কাজটি শেষ করা হবে। কাজটির মেয়াদ কতদিন জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। রাজাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তাহেরুল ইসলাম বলেন, কাজটি এখনো সমাপ্ত হয়নি। রাবিশ খোঁজা হচ্ছে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবু শোয়েব খানে সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই প্রকল্পের মেয়াদ গত ৩০ জুন শেষ হয়েছে। তাই তিনি আর কোনো টাকা পাবেন না। অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাকে আপনারাও ধরবেন আমিও ধরব।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়