ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ভালুকা
ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দিনভর উত্তেজনা, এলাকায় আতঙ্ক

ময়মনসিংহের ভালুকায় ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারও দুই পক্ষের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। দিনভর ওই উত্তেজনা চলতে থাকায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেন কর্তৃপক্ষ। গত শনিবার উপজেলা জামিরদিয়া এলাকায় এসকিউ গ্রুপের কালার মাস্টার কারখানার ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে শনিবার সন্ধা পর্যন্ত উত্তেজনার বিরাজ করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারো স্থানীয় বিএনপির এমপি বাচ্চু ও মোর্শেদ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
গতকাল রবিবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো মুহূর্তে সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম বলেন, ‘আমার মাধ্যমে এবং আমাদের অধিকাংশ জমিতে কালার মাস্টার এসকিউ গ্রুপের কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আমার মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান এইচ.আর.কে.এম এন্টারপ্রাইজের নামে ওয়ার্ক ওয়র্ডার নিয়ে আমি প্রায় ২২ বছর যাবৎ ওই কারখানার ব্যবসা করে আসছি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর থেকে স্থানীয় এমপি বাচ্চুর ক্ষমতার দাপটে তার পক্ষের লোকজন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত তোফাজ্জল হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে নিয়ে আমার ব্যবসা কেড়ে নিতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজও তারা আমার ব্যবসায়িক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তাদের কারণে আজও আমি কারখানার ঝুট বের করতে পারিনি। এর আগেও তারা একাধিকবার একই অবস্থার সৃষ্টি করেছিল।’
স্থানীয় এমপি বাচ্চু গ্রুপের প্রতিনিধি খোকা মিয়া বলেন, ‘আগে মোর্শেদ আলমের নামে ওয়ার্ক ওয়ার্ডার ছিল। এখন আমার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মের্সাস কেএএস আর এন্টারপ্রাইজের নামে এসকিউ কারখানার ঝুট ব্যবসার ওয়ার্কওয়ার্ডার হয়েছে।
শিল্প পুলিশ ময়মনসিংহ-৫ এর পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন জানান, সকালের দিকে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এখন পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে এলেও কালার মাস্টারের ঝুট ব্যবসা নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মাঝে-মধ্যেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতর সৃষ্টি হয়। এতে, তারা আতঙ্কে থাকেন। তারা এই অবস্থার অবসান চান।
"






































