খুলনা ব্যুরো

  ৭ ঘণ্টা আগে

খুলনা

‘উপকূলের কণ্ঠ : জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’ ফটো প্রদর্শনী

খুলনায় ‘উপকূলের কণ্ঠ : জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’ শীর্ষক ফটো প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে নগরীর শহিদ হাসিদ পার্কে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

গ্রিন কাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রমের ওপর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর-খুলনা এ ফটো প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে প্রতিনিয়ত নানা সংকট তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে আইলা, সিডর, আমফানসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ এক প্রকার প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। মানুষের বাসস্থান ও জীববৈচিত্র্যের যে ক্ষতি হয়েছে তা এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরবর্তী চিত্র আমরা যারা কাছ থেকে দেখেছি তাদের কাছে প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া ছবিগুলো পরিচিত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিত্রগুলোতে মানুষের যে দুর্ভোগ তুলে ধরা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় হিসেবে সর্বত্র পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রশাসক জলবায়ু প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সবুজায়নের জন্য সকলকে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর-খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম তৈমুর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নজরুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা, ইউএনডিপি’র ঢাকাস্থ হেড অব কমিউনিকেশন আব্দুল কাইয়ুম, প্রকল্পের ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার আব্দুল হান্নান প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পরে কেসিসি প্রশাসক প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া আলোকচিত্রি এবি রশীদের ফটোগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন।

উল্লেখ্য, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউএনডিপি বাংলাদেশ যৌথভাবে জিসিএফ এর অর্থায়নে খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ৫টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

উপকূলীয় জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি, সুপেয় পানি প্রাপ্তি সহজীকরণ, জীবিকায়নের উপর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবনাক্ততার প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে পারাই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্য। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষ হলে ৫টি উপজেলার ৭ লাখ ১৯ হাজার ২২৯জন মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়