কুবি প্রতিনিধি
জুলাই গণহত্যার বিচার দাবিতে কুবি ছাত্রশক্তির কফিন মিছিল

জুলাই বিপ্লবে শহিদদের স্মরণে এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে কুবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি। গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুম্মার নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে কফিন মিছিলটি শুরু হয়ে গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয় এবং সেখানে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ও কুবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক নাঈম ভূঁইয়া, মো. ইকবাল হাসান ইয়াদসহ অন্যান্য কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নেতাকর্মীরা, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘বিচার বিচার বিচার চাই, খুনি হাসিনার বিচার চাই’, ‘বিচার বিচার বিচার, চাই গণহত্যার বিচার চাই’, ‘জুলাইয়ের শহিদেরা লও লও লও সালাম’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সংহতি সমাবেশে কুবি শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক মো. ইকবাল হাসান ইয়াদ বলেন, ‘২৪ এর ১৬ জুলাই আমার ভাই আবু সাঈদ, ওয়াসিমসহ ৬ জন শহিদ হন? পরেরদিন সারা বাংলাদেশে কফিন মিছিল ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যাসিস্ট সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করে এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়। তারা ভেবেছিল এসব করলে আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ শেষ হয়ে যাবে। তবে আমরা হার মানিনি, শেষ পর্যন্ত স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। তবে আমাদের ভাইয়েরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ আমরা এখনো পাইনি। আমরা চাই জুলাইয়ের সকল হত্যার বিচার হোক এবং শেখ হাসিনাসহ সকলের সুষ্ঠু বিচার হোক।’
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক নাঈম ভূঁইয়া বলেন, ‘জুলাইয়ের এই দিনে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়েবানা জানাজা পড়েছিলাম। আজকেও আমরা কফিন মিছিলের আয়োজন করেছি। জুলাইয়ের এই সময়ে শেখ হাসিনার হাতে রক্ত লেগেছিল। তার নির্দেশে আমার ভাইদের হত্যা করা হয়। আমরা চাই শেখ হাসিনাসহ যে-সব গোষ্ঠী এই গণহত্যায় জড়িত ছিল, সকলের বিচার হোক এবং বর্তমান সরকারের কাছে দাবি করবো যাতে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়।’
"








































