আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দিল্লিতে ইন্টারনেট বন্ধ করতে মোদি সরকারের নির্দেশ

মধ্য দিল্লিতে সোমবার মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে সরকারের আদেশ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ এই সাময়িক স্থগিতাদেশের কোনো কপি সরকারের প থেকে জনসমে প্রকাশ করা হয়নি। সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে ককরোচ জনতা পার্টির ‘সংসদ চলো’ পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সরকার এই আংশিক ইন্টারনেট সেবা বন্ধের পদপে নেয়। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সকাল ১০টার দিকেই মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এয়ারটেল, জিও এবং ভিআই-সহ সব টেলিকম সেবাদাতা সংস্থাকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুটি প্রধান টেলিকম কোম্পানির কর্মকর্তারা সরকারের এই নির্দেশনার কথা নিশ্চিত করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে সেবা পুনরায় চালু করা হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তারা।
তবে ঠিক কোন সরকারি কর্তৃপ এই আদেশ জারি করেছিল, তা এখনো জানা যায়নি। ডিজিটাল অধিকার রাকারী সংস্থা ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (আইএফএফ) ইন্টারনেট সেবা বন্ধের এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, ‘সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন যে টেলিকম সেবা স্থগিতের প্রতিটি আদেশ প্রকাশ্যে আনতে হবে। কেন বন্ধ করা হচ্ছে, তা লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে। এই ধরনের বিধিনিষেধ অবশ্যই অনুপাতসিদ্ধ হতে হবে এবং পাওয়া যায় এমন সবচেয়ে কম তিকর ব্যবস্থা বেছে নিতে হবে। এটা অনির্দিষ্টকালের জন্য চলতে পারে না। এটি বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা এবং পর্যালোচনা কমিটির নজরদারির অধীন। আমরা যদি আজকের এই ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনাকে আইনগত কাঠামোর নিরিখে দেখি, তবে এই আদেশটি প্রকাশই করা হয়নি—যা ‘অনুরাধা ভাসিন বনাম ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া’ মামলার রায় এবং ২০২৪ সালের স্থগিতাদেশ সংক্রান্ত বিধি, দুটোরই স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ সংস্থাটি আরও মনে করিয়ে দিয়েছে যে, সরকার আদেশটি প্রকাশ না করলে তা আদৌ কোনো উপযুক্ত কর্তৃপ জারি করেছে কি না এবং পর্যালোচনা কমিটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি পরীা করবে কি না, তা যাচাই করা সম্ভব নয়। আইএফএফ জানিয়েছে, ‘একটি অপ্রকাশিত আদেশ মানেই একটি জবাবদিহিতাহীন আদেশ।
"






































