সাফারি পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে রাজশাহী চিড়িয়াখানা

রাজশাহীর কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্কের আদলে উন্নয়নের সম্ভাবনা যাচাই করতে শিগগিরই একটি বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শনে আসবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। তারা চিড়িয়াখানার বিভিন্ন প্রাণীর আবাসস্থল, রাইড ও অন্যান্য স্থাপনা ঘুরে দেখেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, একসময় রাজশাহীর অন্যতম প্রধান বিনোদনকেন্দ্র ছিল কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা। তবে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির কারণে এর ঐতিহ্য নষ্ট হয়েছে এবং এটি অস্তিত্বসংকটে পড়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এটিকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠনে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।
তিনি আরও বলেছেন, চিড়িয়াখানা থেকে যেসব প্রাণী স্থানান্তর করা হয়েছে, সেগুলো বর্তমানে কোথায় রয়েছে এবং কী অবস্থায় আছে, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানালেন, রাজশাহীতে একটি আধুনিক মিট প্রসেসিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এজন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশন সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করেছে। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যাতে নিরাপদভাবে মাংস সংরক্ষণ ও বাজারজাত করা যায়।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের কাজের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অল্প সময়ের মধ্যেই নগরীর পরিচ্ছন্নতা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
পরিদর্শনকালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমান, জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. শাহিনুর আলম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









































