বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

  ১ ঘণ্টা আগে

বারহাট্টায় আদালতের রায়ে দীর্ঘ দেড় বছর পর স্বপদে বহাল হলেন এক ইউপি চেয়ারম্যান

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু উচ্চ আদালতের রায়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর পুনরায় নিজ দায়িত্বে বহাল হয়েছেন। গত ৮ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নেন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের একটি মামলায় বিগত ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি নেত্রকোনা আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে ওই সময়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিধান অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসমা ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথমে বারহাট্টা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসানকে এই পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলাউদ্দিন। দীর্ঘ সময় ধরে তারাই পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এদিকে, গত ২১ মে উচ্চ আদালতের এক রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে শফিকুল ইসলাম খান চন্দুর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে সব ধরনের আইনি বাধা দূর হয়। আদালতের এই আদেশের পর তাকে স্বপদে ফিরিয়ে দেওয়ার দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহের গত সোমবার (৮ জুলাই) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিন পর দায়িত্ব ফিরে পেয়ে চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, "আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি। অতীতেও আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও আসমা ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে এবং এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই।" উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ উঠেছিল, যা সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছিল।

পিডিএস/এমএইউ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়