নিতাই চন্দ্র রায়

  ১১ ঘণ্টা আগে

মতামত

বন্যা উত্তর কৃষি পুনর্বাসন ও কৃষকের বেঁচে থাকার সংগ্রাম

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই অসময়ে বন্যা, পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি, উচ্চতাপমাত্রা, ঘূর্ণিঝড়, উপকৃল অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব ঘটছে। এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষি, মৎস্যচাষ ও প্রাণিসম্পদ খাত। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থারও কম ক্ষতি হচ্ছে না। নিয়তির কী নির্মম পরিহাস! গত কয়েক দিনের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে অগণিত মানুষ নিজের বাড়িঘর ফেলে আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবনযাপন করছে। পাহাড় ধসেও মারা যাচ্ছে কত মানুষ।

বৃহস্পতিবার কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পুনরুদ্ধারে সরকার জরুরি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য ৩২৭ টন ধানবীজ, ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকাদান এবং ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি তার বক্তৃতায় আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে পাঁচ জেলায় মৎস্য খাতে ২০০ কোটিরও বেশি টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে ৭৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরুপণে সংস্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের কাজ অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, বন্যায় ব্যাপক বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কৃষকের পুনর্বাসনে ৩২৭ টন ধানবীজ প্রয়োজন হবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বীজ মজুতদ রয়েছে। যেসব কৃষকের জমি বীজ বপনের উপযোগী হয়েছে, তাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বীজ সরবরাহ করা হবে। আর যাদের জমি এখনো প্রস্তুত হয়নি, তাদের জন্য সরকারি খালি জমিতে জরুরি ভিত্তিতে বীজতলা তৈরি করা হচ্ছে। গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্যারপর খুরা রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলায় ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশুকে টিকা দেওয়া হবে। বন্যার কারণে খড় ও অন্যান্য পশুখাদ্য নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আউশ ধানের। কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখনো প্রায় ৫৩ হাজার হেক্টর জমির আউস ধান, প্রায় ৯ হাজার হেক্টর আমনের বীজতলা এবং ২০ হাজার হেক্টরের বেশি গ্রীষ্মকালীন সবজির জমি পানিতে তলিয়ে আছে। বন্যার পানিতে মাছের খামার ও পুকুর ভেসে যাওয়ায় এ খাতে ৪০৭ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৮১ কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮৮ কোটি টাকা। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ১০ শতাংশ আউশ ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৩ লাখ টন চালের উৎপাদন কম হতে পারে। বন্যায় ফসলের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে। বন্যার পানিতে পুকুর, ঘের ও খামারের মাছ ভেসে গেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় অনেক পুকুর ও চিংড়িঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুমিল্লা ও রাজশাহী অঞ্চলেও পুকুরে পানি ঢুকে মাছ বেড়িয়ে গেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে, বন্যায় মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৪০৭ কোটি ৪১ লাখ টাকার। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩৪ হাজার মাছের খামার ও পুকুর এবং ৮৮৯টি মাছের ঘের। এ ছাড়া পুকুরের পার ভেঙ্গে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুয়ায়ী, বন্যায় সারা দেশে ৪ হাজার ৮১৯টি গবাদিপশুর খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ১৯ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া ৬ হাজারের বেশি হাঁস-মুরগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মারা গেছে আড়াই হাজারের বেশি। এ খাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ কোটি টাকা। পাশাপাশি প্রায় প্রায় ১২ হাজার টন দানাদার পশুখাদ্য নষ্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রাণিসম্পদ খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১ কোটি ৫ লাখ টাকা।

বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের পাশাপাশি পশুখাদ্যের সংকটও দেখা দিয়েছে। এজন্য খামারি ও মৎস্য চাষিদের দ্রুত নগদ সহায়তা প্রদান করা প্রয়োজন। বন্যার কারণে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় উপদ্রুত এলাকায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য বিতরণের মতো কর্মসূচি জোরদার করতে হবে। সরকারকে পশু খাদ্যের চাহিদা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বাইরের জেলাগুলো থেকে পশুখাদ্য উপদ্রুত এরাকায় সরবরাহ করতে হবে।

টানা ভারী বর্ষণ, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের ত্রিমুখী দুর্যোগের আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলার ৫৭টি উপজেলা ও ৩৬২টি ইউনিয়ন ও আটটি পৌরসভা বন্যার করাল গ্রাসে পতিত হয়। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কোথাও বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি ও গবাদিপশুর খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দেয়। এবারের বন্যা ও পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে কক্সবাজারে। উপকুলীয় এ জেলায় ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৫ জন বান্দরবানে সাত রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। দুর্যোগ মোকাবিলায় নগদ অর্থ, চাল, ও শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গোখাদ্য, ঢেউটিন ও ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য বিশেষ অনুদান বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত সহায়তা। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণ জরুরি হলেও বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুননির্মাণ, কৃষি ও জীবিকা পুরুদ্ধার এবং পাহাড়ি এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের এখনই উপযুক্ত সময়।

এবারের বন্যায় সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা, কৃষি ও মৎস্যচাষের ওপর। শুধু কক্সবাজার জেলাতেই আনুমানিক ৮৯০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেখানে দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি সড়ক এবং ৭৯টি সেতু-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বান্দরবানও রাঙামাটি পাহাড়ি অঞ্চলে শত শত কিলোমিটার সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই বিপর্যয় বন্যা-পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ ও সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে। এজন্য প্রশাসনকে জরুরিভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট ও সেতু মেরামত করতে হবে। যাতে গ্রামীণ অথনীতির চাকা পুনরায় সচল হয়ে ওঠে।

শুধু ত্রাণ বিতরণ নয়; বন্যার এই বিশাল ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য এখন প্রয়োজন একটি সমন্বিত, দ্রুত ও টেকসই পুনর্বাসন পরিকল্পনা এবং তার সঠিক বাস্তবায়ন। পাহাড় ধস রোধে বনায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবকে মাথায় রেখে টেকসই সড়কও বাঁধ নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে। দুর্গত এলাকার মানুষ যাতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থা ও ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বাস্তবায়ন করতে হবে।

১. কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। যদি কথাটি সত্য হয়। তা হলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্য চাষি ও খামারিদের সময় মতো সরকারি প্রণোদনা প্রদান করতে হবে।

২. বন্যার পানি সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনা চাষে মাস কলাই ও ভুট্টার চাষ করা যেতে পারে।

৩. উঁচু জমিতে নামলা স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের বীজতলা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।

৪. বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে স্বল্পজীবনকালীন শাকসবজি বিশেষ করে লালশাক, পুঁইশাক, ডাটাশাক, ঢেঁড়স, বর্ষাকালীন লাউ, বারোমাসি কাঁচামরিচ, মূলা, গাজার, আগাম ফুলকপি, বাঁধাকপি ও বেগুন প্রভৃতি ফসলের চাষ করতে হবে।

৫. বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খরিপ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষক ভাইদের রবি মৌসুমে গম, আলু, মিষ্টিআলু, পেঁয়াজ, রসুন, ধনে, কালোজিরা, ডাল ও সরিষাসহ বিভিন্ন মসলা ও তেল বীজের আবাদ করতে হবে।

৬. বন্যায় অধিকাংশ কৃষকের ঘরবাড়ি, নলকূপ কৃষি যন্ত্রপাতি বিশেষ করে পাওয়ার টিলার, পাওয়ার পাম্প, গভীর ও অগভীর নলকূপ বিকল হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও কৃষি যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় নগদ সহায়তা প্রদান করতে হবে। অথবা সরকারিভাবে বিনামূল্যে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. কৃষক এনজিও, বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সুদখোর মহাজনের নিকট থেকে ঋণ নিয়ে ফসলে চাষ করেন। হঠাৎ বন্যায় ক্ষেতের ফসল বিনষ্ট হওয়ায় এবং মাছ ঢলের পানিতে ভেসে যাওয়ায় তাদের পক্ষে সময় মতো এনজিওর সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ বা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। তাই রবি মৌসুমে নতুন ফসল না ওঠা পর্যন্ত সব প্রকার ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখতে হবে।

৮. বন্যা এলাকায় অবস্থিত প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প খুলে ফসল চাষের জন্য স্বল্প সুদে নতুন করে কৃষিঋণ প্রদান করতে হবে। সেইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের দিতে হবে মৎস্য চাষ ও হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালনের জন্য প্রয়োজনীয় ঋণ।

৯. উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ করে কৃষক ও খামারিরা যাতে বেশি ফলন পান, এজন্য বন্যা উপদ্রুত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি উপকরণ সরবরাহের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ওপর প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

১০. প্রত্যেক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের আগামী ৩ থেকে ৪ মাস ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের মাঠ, খামার-বাড়ি নিয়মিত পরিদর্শন করে উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগে উৎসাহিত করতে হবে। বন্যা পরবর্তী সময়ে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কৃষকের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

১১. সময়মতো সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ফসলের বীজ, ধানের চারা, সার, বালাইনাশক. মাছের পোনা ও পশুখাদ্য এবং ভেকসিন সরবরাহ করতে হবে।

বন্যা শুধু আমাদের ক্ষতিই করে না। উপকারও করে অনেক। বন্যার পানি কৃষিজমির বালাইনাশকের অবশিষ্টাংশ ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে মাটির বিষাক্ততা হ্রাস করে। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষক হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন। কৃষক জানেন- এটা শুধু পুনর্বাসন নয়; জীবন যুদ্ধ। বেঁচে থাকার কঠোর সংগ্রাম। বন্যার ফলে জমিতে পলি পড়ে এবং জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এজন্য দেখা গেছে বন্যা পরবর্তীতে রোপণকৃত ফসলের ফলন অনেক বৃদ্ধি পায় এবং কৃষক জলের সঙ্গে যুদ্ধ করে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সক্ষম হন।

লেখক : সাবেক মহাব্যবস্থাপক (কৃষি)

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোারেশন

[email protected]

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়