লালমিয়া, তারাগঞ্জ (রংপুর)
রংপুরের তারাগঞ্জ
অকেজো নালার কারণে বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটুপানি, দুর্ভোগে এলাকাবাসী
রাস্তাটির স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার আহ্বান এলাকাবাসীর

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তায় হাঁটুপানি জমে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারী ও স্থানীয়রা। তারাগঞ্জ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে পড়ে থাকলেও তা সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। তারাগঞ্জ কেন্দ্রীয় দুর্গামন্দিরের সামনে থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জয়নাল আবেদীনের বাড়ির সামনে পর্যন্ত রাস্তাটিতে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়ে পথচারী ও স্থানীয় লোকজনদের।
তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, ‘তারাগঞ্জের এত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এমন অবহেলায় পড়ে থাকার কারণে আমাদের এই পথ দিয়ে চলাচলের ভোগান্তির শেষ নেই। আমার বাড়ি ঘনিরামপুর এলাকায়। তারাগঞ্জ বাজারে ব্যবসা করি। প্রতিদিন আমাকে এই রাস্তা দিয়েই আসতে হয়। ভ্যানে করে যখন আসি তখন ওই রাস্তার জমানো পানি ছিটকে পরিধানের সব কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে দারুণ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে রাস্তাটি পড়ে থাকলেও তা সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ কর্তৃপক্ষ না নেওয়ায় আমাদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।’
ওই এলাকার এস কে মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী এমামুল কারিম তাহসান বলেন, ‘এই রাস্তার জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এখানে হাঁটু পানি জমে থাকে। এর ফলে আমরা যখন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করি তখন আমাদের পরিধানের ইউনিফর্ম কাদা-পানিতে নষ্ট হয়ে যায়।’
ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা এখানকার স্থানীয়রা খুব কষ্টে চলাফেরা করি। কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন যাবৎ এভাবে রাস্তাটি পড়ে থাকলেও সংস্কারের কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কয়েক বছর আগে রাস্তাটির পাশে দায়সাড়া একটি ড্রেন করেছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতে সেটি নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের কষ্ট রয়েই গেছে। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান দ্রুত এই রাস্তাটির স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার।
উপজেলা প্রকৌশলী নাফিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি সেখানে জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমি শুনিনি।’
"






































