মাইশা মম
শয়তান থেকে বাঁচার উপায়

সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এ আয়াত পাঠের মাধ্যমে শয়তান থেকে বিরত থাকা যায়। হাদিসে আয়াত দুটিকে নূর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত নোমান ইবনে বশীর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, আসমান ও জমিন সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বে আল্লাহতায়ালা একটি কিতাব লিখেছেন। সেই কিতাব থেকে দুটি আয়াত নাজিল করেছেন যার ওপর আল্লাহ সুরা বাকারাহ শেষ করেছেন। এ আয়াত দুটি একাধারে তিন রাত যে ঘরে পড়া হয়, শয়তান তার কাছেও আসে না। (তিরমিজি)
আরেক হাদিসে হজরত আবু মাসউদ আনসারী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি কোনো রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়ে নেবে, এই দুই আয়াত তার জন্য যথেষ্ট হবে। (তিরমিজি)
দুই আয়াতের যথেষ্ট হওয়ার দুই অর্থ- এক এই যে, পাঠকারী সেই রাতে সব ধরনের বিপদ থেকে নিরাপদ থাকবে। দ্বিতীয়, এই দুই আয়াত তাহাজ্জুদের স্থলে হয়ে যাবে। (ইমাম নববি)
আরেক হাদিসে হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, একবার জিবরাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবী করীম (সা)-এর কাছে বসে ছিলেন, এমন সময় আসমান থেকে কড় কড় আওয়াজ শোনা গেল। তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, আসমানের একটি দরজা খুলল যা আজকের পূর্বে কখনো খুলেনি। এ দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা অবতরণ করেছেন। এ ফেরেশতা আজকের পূর্বে কখনো জমিনে আসেনি।
সেই ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে সালাম করলেন এবং আরজ করলেন, সুসংবাদ হউক, আপনাকে দুটি নূর দেওয়া হয়েছে যা আপনার পূর্বে কোনো নবীকে দেওয়া হয়নি। একটি সুরা ফাতিহা, দ্বিতীয়টি সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত। আপনি সেখান থেকে যেকোনো বাক্য পড়লে তা আপনাকে দেওয়া হবে। (মুসলিম)
"








































