আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আবারও আঞ্চলিক রূপ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার জর্ডানের আল আজরাক বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র লক্ষ্য করে একযোগে ১০টি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা স্বীকার করেছে আইআরজিসি।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি বিশেষ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বেলা ২টা ২০ মিনিটে তাদের বাহিনী জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং ঘাঁটি দুটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানের এই হামলাকে তারা ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ধাপের ‘প্রতিশোধমূলক পাল্টা জবাব’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে রেভল্যুশনারি গার্ড কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি ইরানের ভূখণ্ডে পুনরায় কোনো আঘাত হানার ধৃষ্টতা দেখায়, তবে এই অঞ্চলের কোনো মার্কিন ঘাঁটি তাদের হামলা থেকে রেহাই পাবে না।
তবে জর্ডানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এবং সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই হামলার তথ্য আংশিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। জর্ডান সরকার জানিয়েছে, দুপুর থেকেই রাজধানী আম্মান, জারকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আকস্মিকভাবে বিমান হামলার সাইরেন ও সতর্কবার্তা বাজানো হয়। জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, ইরান থেকে জর্ডানের আকাশসীমা ব্যবহার করে আজরাক অঞ্চলের দিকে ধেয়ে আসা ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ৮টিই তাদের নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত সফলভাবে আকাশে ধ্বংস ও প্রতিহত (ইন্টারসেপ্ট) করেছে।
"






































