ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ভালুকায় দাদার জমি আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও (গৌরীপুর) এলাকায় ডাক্তার দেখানোর কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে দাদার কাছ থেকে হেবা ঘোষণাপত্র দলিল করে জমি আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন ভূমির মালিক দাদা ও ওয়ারিশদার এবং স্থানীয় এলাকাবাসী।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার গৌরীপুর বাজার এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রতারণার মাধ্যমে একটি হেবা ঘোষণাপত্র দলিল তৈরি করে প্রকৃত মালিক ও ওয়ারিশদের জমি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রকৃত মালিকদের সম্মতি ছিল না। তাই নিরপেক্ষ তদন্দের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, কথিত দলিল বাতিল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। ভুক্তভোগী সাহেব আলী শিকদারের ছোট ছেলে আহমদ আলী শিকদার বলেন, তার বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ ও বয়স্ক হওয়ায় চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে তার টিপসই নেওয়া হয়। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে হেবা দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী আফসার শিকদার জানান, তার কাছে বিক্রিত জমিও প্রতারণার মাধ্যমে দুলাল শিকদার হেবা দলিল করে নিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান শিকদার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
ভুক্তভোগী সাহেব আলী শিকদারের স্ত্রী ফুলজান বেগম অভিযোগ করে বলেন, প্রায় শতবর্ষী ও অসুস্থ সাহেব আলী শিকদারকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে ভুল বুঝিয়ে টিপসই নেওয়া হয়। পরে সেই টিপসই ব্যবহার করে হেবা দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনায় বর্তমানে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ ৩য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলায় সাহেব আলী শিকদার বাদী এবং দুলাল শিকদারসহ আরও দুজন বিবাদী রয়েছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত দুলাল শিকদার বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। পারিবারিকভাবে আলোচনা করেই দুই ধাপে হেবা দলিল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।









































