রেজাউল করিম খোকন
মতামত
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ চাই

দিনদুপুরে দলবেঁধে এসে ব্যস্ততম বাজারে গুলি করে প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা, বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা- এসব ঘটনা মনে হতে পারে কোনো সিনেমার দৃশ্য। তবে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটে চলছে সাম্প্রতিক সময়ের চট্টগ্রামে। খুন-অস্ত্রবাজির এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিরা সবাই বিদেশি পলাতক এক কুখ্যাত সন্ত্রাসীর অনুসারী, এমন দাবি পুলিশের। দীর্ঘ সময় ধরে সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া এমন কর্মকাণ্ড চলতে থাকলেও তাদের লাগাম টানতে পারছে না পুলিশ। এতে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও, বাকলিয়া, বায়েজিদ এবং জেলার হাটহাজারী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়াসহ বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দাদের আতঙ্কে দিন কাটছে।
জানা গেছে, পলাতক সেই কুখ্যাত সন্ত্রাসী বিদেশে বসে চট্টগ্রামে খুন, চাঁদাবাজির নির্দেশনা দিয়ে আসছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনায় গড়ে তুলেছে অর্ধশতাধিক সক্রিয় সদস্যের বাহিনীর নেটওয়ার্ক। বাহিনীর সদস্যরা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত। প্রযুক্তির ব্যবহারেও এগিয়ে থাকা, পাহাড়ি এলাকায় আস্তানা তৈরির কারণে তার সহযোগীদের ধরা কঠিন হয়ে উঠেছে। দিনদুপুরে অতর্কিতে এসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার পর পাহাড়ের নিরাপদ আস্তানায় গা ঢাকা দেয় সন্ত্রাসী বাহিনীটির সদস্যরা। মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বিদেশে পলাতক সেই কুখ্যাত সন্ত্রাসীর সহযোগীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খুন ছাড়াও নির্মাণাধীন ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি করে আসছে সেই সন্ত্রাসীর অনুসারীরা।
বিশেষ করে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী, পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাউজান এলাকায় ভবন নির্মাণের জন্য তার অনুসারীদের চাঁদা দিতে হচ্ছে। সেই কুখ্যাত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। ওই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক বাহিনীতে ৫০ জনের বেশি সক্রিয় সদস্য রয়েছে। সর্বশেষ, অতি সম্প্রতি নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় সন্ত্রাসীরা। এখানেও সেই বিদেশে পালিয়ে থাকা কুখ্যাত সন্ত্রাসীর অনুসারীরা হামলায় জড়িত। তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। প্রতিষ্ঠানের মালিক জানিয়েছেন, দুই দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে ফোন করে ডেভিড ইমন (মোবারক হোসেন ইমন) পরিচয়ে একজন তার সঙ্গে কথা বলে।
এ সময় ইমন বলে, ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দিবি। মাসে দিবি ১০ লাখ। এখন থেকে ব্যবসা আমরা করব।’ তাদের দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় সন্ত্রাসীরা এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ ডিডিএনের কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। দেশীয় অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তিরা অফিসের কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মুঠোফোন এবং বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করে। একজনকে কুড়াল দিয়ে কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামে আঘাত করতে দেখা যায়। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সেখানে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর আগে চট্টগ্রাম শহরের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পাহাড় বেষ্টিত এলাকা জুড়ে সন্ত্রাসী চক্রের অভয়ারণ্য সৃষ্টির খবর দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। ওখান থেকে গিয়ে সন্ত্রাসীরা শহরের বিভিন্ন শিল্প বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, ছিনতাই, লুটপাটের ঘটনা ঘটাতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল ওরা দীর্ঘ সময় ধরে। ওই পাহাড় বেষ্টিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে। বাইরের কেউ ওখানে কিছু করতে পারতো না। সরকারের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে তারা মোটেও পরোয়া করতো না। ওখানে গড়ে তুলেছিল আলাদা একটি রাজ্য যেখানে তারা তাদের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
‘মগের মুল্লুক’ বলে বাংলায় একটি প্রবাদ প্রচলিত আছে। এর অর্থ বিশৃঙ্খল অবস্থা বা অরাজক পরিস্থিতি। যেরকম পরিস্থিতিতে কেউ কারো তোয়াক্কা করে না, কেউ কারো কথা শুনে না। তাই এখন যখন আমাদের সমাজে কেউ যেমন-তেমনভাবে অন্যের উপর প্রভাব খাটায়, অত্যাচার করে, দুর্বল মানুষকে কষ্ট দেয় তখন মগদের বিশৃঙ্খলা অরাজকতা অন্যায় অনিয়ম যথেচ্ছাচারের সঙ্গে সেটা তুলনা করা হয় আর বলা হয়, মগের মুল্লুক। এখনো যেন দেশের বিভিন্ন স্থানে তেমন মগের মুল্লুকের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাণিজ্যিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক সময়ের কিছু চিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে কেবলই মনে হয়েছে আমরা আসলে কোথায় বসবাস করছি। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। এখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একটানা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে একটি গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়েছে। একটানা ১৬ বছর ধরে চলা স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থায় এরকম অরাজকতা বিরাজমান ছিল। যা মগের মুল্লুকেরই নামান্তর।
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পর এবার রাজধানী ঢাকা শহরের কিছু ব্যাপার তুলে না ধরে পারছিনা। এখন সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরেবাংলা নগর এলাকা। ওইসব এলাকা থেকে অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাসাবাড়ি, অফিস পরিবর্তন করে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারই বেশি। নিরাপত্তাহীনতায় প্রাথমিক স্কুলেও কমেছে উপস্থিতি। পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে তারা। এখন ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত আতঙ্কের এক বিস্তৃত এলাকার নাম মোহাম্মদপুর। পশ্চিমে বছিলা এবং বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত যার ভৌগোলিক সীমানা। রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। প্রকাশ্যে ছিনতাই, সশস্ত্র হামলা, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। চাপাতি, ছুরি ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে অপরাধীরা হামলা চালাচ্ছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে। রাস্তা ঘাটে দিনরাত ছিনতাই, খুন ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের আধিপত্যের জন্য মোহাম্মদপুরসহ আশপাশের অন্তত ৮-১০টি এলাকা এখন অপরাধের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।
এখানে অন্ধকার পথে তৈরি হয়েছে গ্যাং সহিংসতা, সহজলভ্য অস্ত্র, যেখানে তুচ্ছ ঘটনায় একে অপরের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে নির্মমভাবে। এমন নানা কারণে নান্দনিক নামের বাড়িগুলোর অসংখ্য ফ্ল্যাট ফাঁকা পড়ে রয়েছে। ওখানে একসময় অভিজাত ভদ্র শিক্ষিত মানুষের বসবাস ছিল। আর এখন সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে চিহ্নিত এই মোহাম্মদপুর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন শত শত পরিবার। অন্য জায়গায় নতুন ঠিকানা গড়ে তুলছেন। কেউ কেউ বাড়ি ভাড়া দিতে না পারায় পুরো বাড়ি অপেক্ষাকৃত কম দামে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। যে অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেখানে, যেখানে জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেনা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও। বারবার অভিযান পরিচালনা করেও সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, ডাকাত মাদকসেবী ভয়ঙ্কর অপরাধে যুক্ত কিশোর গ্যাঙের অন্যায় অত্যাচার রোধ করা সম্ভব হয়নি।
ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা বলেছেন, সন্ধ্যার পরে বেচাকেনায় ভাটা পড়েছে তাদের। স্থানীয়রা জানান, মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পগুলোতে স্কুল বিমুখ হয়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা। এখানকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যে দোকানে আগে অর্ডার হতো ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এখন অর্ডার দেয় দুই হাজার, তিন হাজার টাকা। কারণ, এখানে কোনো নিরাপত্তা নেই বলে বেচাবিক্রি অনেক কমে গেছে। এলাকাটির জনঘনত্ব, ভাসমান জনসংখ্যা ও অপরিকল্পিত বসতি অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বেকারত্ব ও কম খরচে বসবাসের সুযোগও অপরাধ প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে। সরু গলি, ঘনবসতি এবং ভৌগোলিক জটিলতার কারণে অপরাধীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে, ফলে তাদের ধরা কঠিন হয়ে পড়ছে। পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, গোয়েন্দা পুলিশ এবং যৌথ বাহিনীর একাধিক অভিযান সত্ত্বেও এলাকাটিতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, রাত নামলেই সশস্ত্র গ্যাংগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা অটোরিকশা ব্যবহার করে সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই করছে। কিছু চালকের বিরুদ্ধে রাতের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অটোরিকশা ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ ছিনতাই বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে রাতে এসব যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। বেড়িবাঁধ, শেখেরটেক, তাজমহল রোড, মনসুরাবাদ হাউজিং এবং আদাবর এলাকায় একাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। তারা চাপাতি, সামুরাই তলোয়ার ও ছুরি নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। গ্রেপ্তারের পর অনেক অপরাধী দ্রুত জামিনে বের হয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা আরো কঠিন হয়ে উঠছে। কিছু অপরাধী স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় থেকে নিরাপদে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে থানায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর কিছু এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি কমে যাওয়া অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। জনবল বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল এবং সমন্বিত সাড়াশি অভিযান ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।
বিশ্বের বৃহত্তম ক্রাউড সোর্সড অনলাইন ডাটাবেস সেন্টার এনইউএমবিইও-২০২৬ এ প্রকাশিত ক্রাইম ইনডেক্সের তথ্য বলছে, অপরাধের সূচক বিবেচনায় দক্ষিণ আফ্রিকার পিটারমারিটজবার্গ ৮২.৮ স্কোর নিয়ে তালিকায় সবার উপরে রয়েছে। সেখানে ৬২.২ স্কোর নিয়ে ঢাকার অবস্থান ৫৯ এ। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাল্টেছে অপরাধের ধরন। তাই প্রতিকারে নতুন ভাবনা প্রয়োজন।
এব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং এতদসংশ্লিষ্ট বিভাগ দপ্তর, বিভাগ,আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আরো তৎপরতা জরুরি হয়ে উঠেছে এই মুহূর্তে। শুধুমাত্র ঢাকা, চট্টগ্রাম নয় দেশের যেখানে এই মগের মুল্লুক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যে বা যারা তাদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। শুধুমাত্র পুলিশ এবং অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে সব সময় সব অপরাধী নির্মূল কিংবা দমন সম্ভব নয়। এখানে প্রয়োজন জনসচেতনতা। মগের মুল্লুক বানিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে তৎপর একটি গোষ্ঠী। তারা সমাজেরই এলিট, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। মগের মুল্লুক সৃষ্টির যে কোনো প্রচেষ্টা রোধ করতে শুরুতেই এসব দুর্বৃত্ত, দুস্কৃতিকারীদের ঠেকাতে হবে যেকোনো মূল্যে।
লেখক: কথাসাহিত্যিক, কলাম লেখক
"





































