কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম
১৭ দিন শূন্যরেখায় থাকা ৩ যুবক উধাও

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তের শূন্যরেখায় ১৭ দিন অবস্থান করা তিন যুবককে গতকাল বুধবার সকাল থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের চেষ্টার শিকার হয়ে তারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। তবে তারা কখন, কোথায় ও কীভাবে সরে গেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই তিন যুবক নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক দাবি করেছিলেন। দাবি অনুযায়ী, তারা হলেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নাঈম মিয়া (২২), সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জহিরুল ইসলাম (২৬) ও নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার পারভেজ (২১)। তবে বিজিবি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রৌমারী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘আজকে সকালে ভুন্দুরচর সীমান্তে থাকা তিন যুবককে দেখতে গিয়ে সেখানে তাদের পাইনি। ওই সীমান্ত এখন ফাঁকা রয়েছে। বিএসএফ সদস্যরাও সেখানে আর নেই।’
জামালপুর-৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘আমরা ভোর থেকে তাদের আর দেখতে পাচ্ছি না।’
দুই অসুস্থ শিশুসন্তান নিয়ে দুদিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় দম্পতি : ‘আমরা বাঁচতে চাই’ দুই অসুস্থ শিশুসন্তান নিয়ে দুদিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় দম্পতি: ‘আমরা বাঁচতে চাই’।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৪ জুন ভোর ৬টার দিকে রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তপথে নারী-শিশুসহ ছয়জন এবং ইজলামারী সীমান্ত পথে তিন যুবককে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। কাঁটাতারের এপারে বাংলাদেশ অংশে ঠেলে দেওয়া হলেও বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বাধায় তাদের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পাঠাতে পারেনি বিএসএফ। মা ও শিশুর জীবনসংকট নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১৮ জুন ভোরে দুই শিশুসহ দম্পতিকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে গত ২৩ জুন একই সীমান্তের আরো দুই যুবককে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ইজলামারী সীমান্তের শূন্যরেখায় ওই তিন যুবক বিজিবি ও বিএসএফের নজরদারিতে ১৭ দিন ধরে অবস্থান করছিলেন। আজ সকাল থেকে সীমান্তের ওই স্থানে তাদের আর দেখা যায়নি। তারা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
"






































