reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১০ জুন, ২০১৭

দেশ পরিচিতি

নরওয়ে

পৃথিবীতে এমন একটি দেশ আছে, যেখানে মধ্যরাতেও সূর্যের দেখা পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, অনেক সময় সেখানে দিনের পর দিন সূর্যের দেখাই মেলে না। এই বিচিত্র নিয়মের দেশটি হলো নরওয়ে। বিশ্বজুড়ে এই দেশের পরিচিতি ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ হিসেবে।

নরওয়েতে উত্তর গোলার্ধের গরমে কয়েক মাস সূর্য অস্ত না গিয়ে সব সময় আকাশ আলোকিত রাখে। আর শীতকালে কয়েক মাস সূর্যই ওঠে না। আর তখন প্রায়ই উত্তরের আলো বা ‘অরোরা বোরিয়ালিস’ দেখা যায়। ৬০ ডিগ্রি অক্ষাংশে অবস্থিত নরওয়ের রাজধানী অসলোতে জুন-জুলাই মিলিয়ে দুই মাস সব সময় দিনের আলো থাকে। অর্থাৎ, এই সময়ে এখানে সূর্য কখনো সম্পূর্ণ অস্তমিত হয় না। এর ফলে এই সময় অন্ধকারের পরিবর্তে গোধূলির আলো বজায় থাকে সারারাত।

রাতে সূর্যের আলো দেখা সত্যিই এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। পৃথিবীর অক্ষরেখা তার সমতলে ২৩.৫ ডিগ্রি ঝুঁকে যাওয়ায় প্রতিটি গোলার্ধ গ্রীষ্মকালে সূর্যের দিকে হেলে যায়, আবার শীতকালে সেখান থেকে সরে যায়। ফলে সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলে বছরের একটি বিশেষ সময় মধ্যরাতেও সূর্য দেখা যায়। কিন্তু যখন কুমেরু অঞ্চলে শীতকাল, তখন দিন ও রাতের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা যায় না। বিশ্বজুড়ে নরওয়ে শান্তির দেশ হিসেবে চিহ্নিত। প্রতি বছর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে অসলোর বিশ্ববিখ্যাত সিটি হল থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। শান্তির প্রতীকস্বরূপ অসলোর জাহাজবন্দরে একটি শিখা চিরপ্রজ্বলিত রয়েছে। অসংখ্য অভিযাত্রী আর আবিষ্কারকের দেশ হিসেবেও নরওয়ে বিশ্ববিখ্যাত। বেশ কয়েকটি মিউজিয়ামে তার চমৎকার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। অসলোর ভাইকিং মিউজিয়ামে ১২০০ বছরেরও আগে সমুদ্র পাড়ি দেওয়া ভাইকিং অভিযাত্রীদের ব্যবহৃত কাঠের নৌকা রাখা আছে। পোলার শিপ ফ্রাম মিউজিয়ামে, যে জাহাজে করে ন্যান্সেন ১৮৯৫ সালে সুমেরুর খুব কাছে পৌঁছেছিলেন, তাতে উঠে ঘুরে দেখা যায়।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Error!: SQLSTATE[42S02]: Base table or view not found: 1146 Table 'protidin_sangbad.news_hits_counter_2020_04_07' doesn't exist
Error!: SQLSTATE[42S02]: Base table or view not found: 1146 Table 'protidin_sangbad.news_hits_counter_2020_04_07' doesn't exist