দেশ পরিচিতি
লাওস

কমিউনিস্ট শাসিত দেশ লাওস। এটি ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত। এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর অন্যতম এটি। সাগর-মহাসাগরের সঙ্গে কোনো সংযোগ নেই, অর্থাৎ স্থলবেষ্টিত দেশ লাওস। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ দেশটির উত্তর-পশ্চিমে মিয়ানমার ও চীন। পূর্বে ভিয়েতনাম, দক্ষিণে কম্বোডিয়া এবং পশ্চিমে থাইল্যান্ড। বর্তমানে লাওস নামে যে দেশটি, তার আদি অধিবাসীরা মূলত দক্ষিণ চীন থেকে আসে। ১৩৪৫ সালে প্রথম দেশীয় সরকার কায়েম হয়। আফিম উৎপাদনের জন্য কুখ্যাত ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের’ চারটি দেশের অন্যতম লাওস। তবে ইদানীং দেশটিতে আফিম উৎপাদনের হার কিছুটা কমেছে। দেশটির যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারেই ভঙ্গুর। কোনো রেল যোগাযোগই নেই। শহরকেন্দ্রিক যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে। গ্রামগুলো রয়ে গেছে একেবারেই বিচ্ছিন্ন। মেঠোপথে যেতে হয় এক গ্রাম থেকে অন্য
গ্রামে।
এক নজরে লাওস
দেশের নাম : লাও পিপলস ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক
জনসংখ্যা : ৫৮ লাখ
রাজধানী : ভিয়েনতিয়েন
আয়তন : ৯১ হাজার ৪০০ বর্গমাইল
প্রধান ভাষা : লাও, ফ্রেন্স
প্রধান ধর্ম : বৌদ্ধ
গড় আয়ু : ৫৩ বছর (পুরুষ), ৫৬ বছর (মহিলা)
মুদ্রা : নিউ কিপ
প্রধান রফতানি : বস্ত্র, কাঠ, কফি
মাথাপিছু আয় : ৪৪০ ডলার
"






































