জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

  ৯ ঘণ্টা আগে

জগন্নাথপুরে বন্যার তোড়ে সড়ক ভেঙে ১০ গ্রাম প্লাবিত

টানা চার দিনের দিনের বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর তীরবর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও, রানীগঞ্জ ও আশারকান্দি ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, পানির তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বালিশ্রী-রৌয়াইল গ্রামের একমাত্র পাকা সড়কটি বালিশ্রী গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে ভেঙে গিয়ে প্রবল স্রোতে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে প্রায় ১০টি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে। গত শুক্রবার বিকেলে সড়কটি ভেঙে যায়। ভেঙে যাওয়া এ সড়কপথে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে রৌয়াইলসহ কয়েকটি গ্রামের স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ এলাকার জনসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকার জনসাধারণ কুশিয়ারা নদীপথে নৌকা দিয়ে যাতায়াত করছেন। এদিকে কুশিয়ারা নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের আউশধান। এছাড়া আমন ধানের বীজতলা ও চারা ধান বানের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক বিপাকে পড়েছেন। বালিশ্রী গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন রুমান বলেন, সড়কটি ভেঙে যাওয়ার কারণে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন আরো বাড়তে পারে এবং আশপাশের এলাকাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

রৌয়াইল গ্রামের মিটু মিয়া বলেন, নদীতে পানি বাড়তে থাকায় হঠাৎ করে এ সড়কটি ভেঙে যায়। এ একটি সড়কের ওপর নির্ভর করেই প্রায় ১০-১২টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। এখন কয়েক কিলোমিটার ঘুরে অন্য পথে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটিই বেড়ে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী হাসপাতালে নেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতও কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহরাব হোসেন বলেন, এটা আমাদের নিজেদের কাজ নয়, আমরা চেষ্টা করতেছি, পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ দিয়ে বালু ভরে আগামীকালকের মধ্যে বাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়