পার্থ মুখোপাধ্যায়
মধ্যরাত থেকেই জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

পূর্বঘোষণা মতো বুধবার মধ্যরাত থেকেই রাজ্যের মর্যাদা হারাল জম্মু-কাশ্মীর। বুধবার রাত ১২টার পর থেকেই জম্মু-কাশ্মীর ভারতের মানচিত্রে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গেল।
জম্মু-কাশ্মীর থেকে বিচ্ছিন্ন লাদাখও এখন পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। ফলে, ভারতে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বেড়ে দাঁড়াল ৯। সেইসঙ্গে রাজ্যের সংখ্যা কমে হল ২৮।
কাশ্মীরের জন্য থাকা সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ লোপ ও জম্মু-কাশ্মীরের পুনর্গঠন বিল আনার ফলে বিশেষ মর্যাদা শুধু নয়, রাজ্যের মর্যাদাটুকুও হারায় জম্মু ও কাশ্মীর। বুধবার মধ্যরাত থেকে তা সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ভারতের মানচিত্রে বাড়ল দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ।
এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদের কথা মাথায় রেখেই জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, ফের রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে পারে জম্মু-কাশ্মীর।
৬ আগস্ট সংসদে জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিলের পাশাপাশি ওই রাজ্যের পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিল আনে বিজেপি। বিলে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ দমন ও প্রশাসনিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লাদাখ এতদিন জম্মু ও কাশ্মীরের সঙ্গে থাকলেও সেখানকার ভূপ্রকৃতি ও জনসংখ্যার চরিত্র আলাদা। সেখানকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত এলাকা ঘোষণার।
পিডিএসও/হেলাল









































