বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি

  ১ ঘণ্টা আগে

স্বীকৃতি ও ভরণপোষণের দাবিতে প্রধান শিক্ষকের স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

নওগাঁর বদলগাছীতে স্বামী ও কন্যাসন্তানের স্বীকৃতি এবং ভরণপোষণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোছা. মুক্তা পারভীন নামে এক নারী। তিনি রাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ে করে পরবর্তীতে স্ত্রী ও সন্তানকে অস্বীকার এবং ভরণপোষণ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মুক্তা পারভীন জানান, ২০১৮ সালে পরিচয়ের পর প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদের সাথে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ওই বছরের জুন মাসে নামমাত্র দেনমোহরে তাঁদের প্রথম কাবিন হয়। এরপর তাঁরা নওগাঁ শহরে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস শুরু করেন।

মুক্তা পারভীন আরও জানান, প্রথম কাবিনের সময় তাঁর পূর্বের স্বামীর সাথে আইনগতভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। পরবর্তীতে মোস্তাক আহমেদের পরামর্শেই চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তিনি পূর্বের স্বামীকে তালাক দেন। এরপর গত ৩০ জানুয়ারি ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে মোস্তাক আহমেদের সাথে তাঁর পুনরায় কাবিন সম্পন্ন হয়। তাঁদের সংসারে ২০২১ সালে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে মোস্তাক আহমেদ তাঁর ও সন্তানের ভরণপোষণ বন্ধ করে দিয়েছেন এবং কোনো যোগাযোগ রাখছেন না। এতে তিনি ও তাঁর সন্তান চরম মানবিক সংকটে পড়েছেন। মেয়ের ভবিষ্যৎ ও নিজের বেঁচে থাকার স্বার্থে তিনি স্বামী ও সন্তানের ন্যায্য স্বীকৃতি দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী বলেন, "আমি মুক্তা ও আমার সন্তানের ভরণপোষণ দিয়ে আসছি। তবে আমার প্রথম স্ত্রী সম্পর্কটি মেনে না নেওয়ায় কিছু পারিবারিক জটিলতা তৈরি হয়েছে।"

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি এখন পর্যন্ত তাঁর জানা নেই। তবে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পিডিএস/এমএইউ

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়