reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ০৩ জুলাই, ২০২৬

মামুন মুস্তাফার কবিতা

ডুয়ার্স/এক

আমার ভেতরের এক ট্যুরিস্ট

শণপাতায় লিখে যায় বনকথা,

ডুয়ার্সের পাথর গলে যে ঝরনা

সেই শাস্ত্রীয় সংগীতে প্রাণবন্ত

স্মৃতিঘর- প্রাণিবিদ্যা আজ ভুল

উদ্ভিদের জামা গায়ে এই মানুষগুলো;

আমি কী চা পানে মগ্ন হবো?

ব্যস্ত হয়ে ওঠে স্টেট বাস,

কাল সারারাত বন্যপ্রাণীগুলো

বলেছে সে কথা: গিরিশৃঙ্গ

ভাঙতে পারো? অথচ গাছ কাটা

হলে ভেঙে পড়ে বনভূমি-

এভাবে নির্জনতা খুন হয় রাতভর।

তাকিয়ে দেখি কীভাবে ঘন বনের

ফাঁক গলে অজস্র আলো গাছে গাছে নাচে।

ডুয়ার্স/দুই

‘রাজা ভাত’ খায়-

আলিপুরের গহিন ডুয়ার্সে

সেই রেলস্টেশন উৎকীর্ণ;

চিহ্নগুলো গাঢ়

আঙুলের স্পর্ধিত ইশারা

গেঁথে দেয় জনশ্রুতি-

আয়নার উল্টোরথে নিধুয়া পাথার

রৌদ্রস্নানের নগ্নতায় পুড়ে যায় অশত্থবন

তুমি তাকে বলো মরে যাওয়া ভ্রূণ

আমি বলি শয্যাস্পর্শপঙ্ক।

ডুয়ার্স/তিন

গেঁথে যাচ্ছে তোমার মূঢ় ছায়া

আলোপাতার শিরাউপশিরায়।

গভীর রেনট্রি দাঁড়িয়ে আছে

শিরদাঁড়া উঁচু করে।

স্বগতোক্তির মেলা এখানে,

কে কবে ছুড়ে দিয়েছে শূন্যে

আঙুলগুলো ভেজা মেঘের কার্নিশে?

আমি রোদবৃষ্টির মেঘ গায়ে মাখি

বন্ধু বনভোজনের কথা বলে:

মেয়েটি নখের ব্যাসার্ধ নিয়ে

আঁচড়ে দিয়েছিল উঁচু পাহাড়ের স্তন!

এরপর আমিও জলধারা ছুঁয়ে দিয়েছি

এখন গহিন বনের আগুনে রক্তবর্ণ দিনের সূর্য

পায়ে পায়ে এভাবেই এগিয়ে চলে ‘ডুয়ার্স মনোলোগ’।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়