নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১৩ ঘণ্টা আগে

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক দেশের ঐক্য চাই

- এম এ জলিল

মানবতাবাদী মানবিক গণতান্ত্রিক ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ। গত রবিবার বিকালে তোপাখানায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে এ সভা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল। বক্তব্য দেন ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এম. এ ভাসানী, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম মিয়া, দপ্তর সম্পাদক এ কে এম নাহিদ, সমতা পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শামসুল হক, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, কবি ও নারী নেত্রী এলিজা রহমান এবং নাসিমা খাতুন।

এম এ জলিল বলেন, নির্বাচন, গণতন্ত্র, আইনের শাসনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বকে পরিবেশবান্ধব করা যায়। যার স্বপ্ন দেখিয়েছেন মহান ব্রিটেন। বিশ্বের অসহায় নির্যাতিত জনগণের পার্শ্বে দাঁড়িয়েছেন মুক্তিদাতা ব্রিটেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বিশ্বের সাধারণ অসহায় মানুষের বন্ধু হিসেবে কাজ করবে এই আশা ব্যক্ত করে। এম এ জলিল আরো বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন বিবিসি ও ব্রিটেনের জনগণ। বিবিসির খবর শুনে বাংলাদেশের জনগণ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। সেই সময় ব্রিটেনের জনগণ সমর্থন দিয়েছেন ও অর্থনৈতিক সাহায্য করেছেন সেই জন্য ব্রিটেনের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ। ব্রিটেনের জনগণের সমর্থনের কাছে ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে গেলে তৎকালীন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নেতাকে সম্মান দেখান এবং স্বাধীন বাংলাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি দান করেন।

১৯৭২ সাল থেকে ব্রিটেন-বাংলাদেশ অকৃত্তিম বন্ধু। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে ব্রিটেন। আগামী দিনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পার্শ্বে দাঁড়াবে ও সহযোগিতা দিবে এই আশা ব্যক্ত করছি। যুক্তরাজ্য বিশ্বের কাছে এমন একটি দেশ যেই দেশে লিখিত সংবিধান নেই। তারা মানবতার পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে, আইনের শাসনের পক্ষে কাজ করেন, যা বিশ্বের সবাই মেনে চলেন।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়