আবু সুফিয়ান, ধুনট (বগুড়া)
বগুড়ার ধুনট
ধসেপড়া সেতুর পাশে সাঁকো নির্মাণ, ভোগান্তি নিরসন

বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী-হেউটনগর সড়কের চরকাদহ খালের ওপর দেবে ও হেলেপড়া ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর পাশে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। পথচারী ও হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সাঁকোটি নির্মাণ করেছে।
গত বুধবার সকাল থেকে চলাচলের জন্য সাঁকোটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ওই সাঁকোর ওপর দিয়ে হেঁটে পারাপারের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, রিকশাভ্যান ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পারাপার হচ্ছে। এতে সাময়িকভাবে হলেও স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এর আগে গত ২২ জুন সকাল ৮টার দিকে ভারি বর্ষণে খালের পানির প্রবল ¯্রােতে সেতুটির নিচের মাটি সরে গিয়ে ধসে পড়ে এবং মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জানা যায়, ২০০৭ সালে নিমগাছী-হেউটনগর গ্রামীণ সড়কের চরকাদহ খালের ওপর প্রায় ৭ লাখ
টাকা ব্যয়ে আরসিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতু নির্মাণের ফলে নিমগাছী ও কালেরপাড়া ইউনিয়নের মানুষের মাঝে যোগাযোগের একটি বন্ধন সৃষ্টি হয়।
কান্তনগর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক তবিবর রহমান বলেন ‘চরকাদহ খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় এক সপ্তাহে পুরো এলাকার
যোগাযোগব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ে। এই পথে আমি বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাওয়া-আসা করি। দৈনিক অন্তত ২০ হাজার মানুষ এ পথে চলাচল করেন। আমার মতো তারা চরম দুর্ভোগে পড়েন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সাঁকোটি নির্মাণ করায় দীর্ঘপথ ঘুরে যাতায়াতের কষ্ট থেকে সাময়িক মুক্তি মিলেছে।
কিন্তু ভারী গাড়ি বা অন্যান্য বড় যানবাহন
চলাচলে স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।
ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী বখতিয়ার হোসেন বলেন ‘পুরোনো সেতু দেবে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আমরা ওই এলাকার মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে জরুরিভিত্তিতে সেখানে একটি সাঁকো নির্মাণ করেছি। এছাড়া ওই স্থানে নতুন একটি সেতু নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।
"







































