প্রকৌশলী রিপন কুমার দাস

  ১৯ জুলাই, ২০২০

পর্যালোচনা

ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছু কথা

বাংলাদেশ দারিদ্র্য কমানো এবং সর্বসাধারণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে দেশে-বিদেশে কাজ করতে সক্ষমÑ এমন মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরির জন্য শিক্ষকদের দক্ষতার উন্নয়ন। বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের শিক্ষককদের শিল্প-কারখানার সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি এবং যোগ্যতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকদের জ্ঞান, দক্ষতা ও মনোভাবের উন্নয়ন করে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলাই এ প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এ ছাড়া মানসম্মত বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণের উন্নয়ন ঘটানো। বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সব ক্ষেত্রে সাম্য ও সমতার নীতি নিশ্চিত করা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক তৈরি করা। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিল্প-কারখানার সংযোগ স্থাপন। শিক্ষাব্যবস্থাপনায় সুশাসন জোরদার করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সার্বিক গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতি বাস্তবায়ন ও প্রকল্প প্রস্তাবনা নিশ্চিত করা অন্যতম কাজ। দক্ষতার ক্ষেত্রে চমৎকার উৎকৃষ্টতার কেন্দ্র হিসেবে ভিটিটিআইকে প্রতিষ্ঠিত করাই ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের কাম্য এবং যে কেন্দ্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দক্ষতা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় হয়।

ভিটিটিআইতে তিন ধরনের শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। যেমন : ১. স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, ২. সার্টিফিকেট-ইন-ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ও ৩. ডিপ্লোমা-ইন-ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং। ১. স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ : পূর্ব অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি (RPL) ক) প্রাক-বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রশিক্ষণ (প্রি-ভোক-২)-এর মূল্যায়ন কেন্দ্র : বৈদ্যুতিক ইনস্টলেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ (সিভিল কনস্ট্রাকশন), মোটরসাইকেল সার্ভিসিং ও প্লাম্বিং ট্রেডে ২০টি করে আসন রয়েছে। খ) জাতীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো (লেভেল-১)-এর মূল্যায়ন কেন্দ্র হিসেবে বৈদ্যুতিক ইনস্টলেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ (সিভিল কনস্ট্রাকশন), মোটরসাইকেল সার্ভিসিং , প্লাম্বিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ট্রেডে ১০টি করে আসন রয়েছে। এ ছাড়া চলমান কার্যক্রম শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক স্কিলস প্রশিক্ষণ চালু রয়েছে, যেখানে ক) ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট অ্যান্ড মেশিনস, প্ল্যানিং, ইনস্টলেশন অ্যান্ড অপারেশন অব ইলেকট্রিক্যাল ইকুইপমেন্ট ট্রেড, খ) মেকানিক্যাল বিভাগের ওয়েল্ডিং, লেদ মেশিন অপারেশন, মেশিনিস্ট, সেপার ও মিলিং মেশিন অপারেশন ট্রেড, গ) ফার্ম মেশিনারি বিভাগে ও ঘ) রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং বিভাগে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়ন (CBT & A), (CBT & A) লেভেল-০৪ (শিক্ষন প্রশিক্ষণ), (CBT & A) লেভেল-০১ (দক্ষতা প্রশিক্ষণ) চালু রয়েছে ।

অত্র প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক পর্যায়ে মাত্র আটটি ট্রেড চালু রয়েছে, কিন্তু বর্তমানে এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই তাই অত্র প্রতিষ্ঠানে আর্কিটেকচারাল ডিজাইন, ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল, সিভিল কনস্ট্রাকশন, লেদার প্রডাক্টস, ফ্রুট অ্যান্ড ভেজিটেবল কালটিভেশন, ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিং, ফিস কালচার অ্যান্ড ব্রিডিং, গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড টেইলারিং, কম্পিউটার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি, টেক্সটাইল ডাইং ও প্রিন্টিং, এগ্রোবেসড ফুড, নিটিং অ্যান্ড উইভিং, লাইভস্টক বিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং, জুট প্রডাক্টস, রিনিউয়েবল এনার্জি, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারিং, ইলেকট্রোমেডিকেল, গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক প্রডাক্টস, পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং, পাল্প অ্যান্ড পেপার প্রডাক্টস ট্রেডসমূহ চালু করা প্রয়োজন।

বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত এসএসসি বা সমমান পাসকৃত ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের সার্টিফিকেট ইন ভোকেশনাল এডুকেশন ও ডিপ্লোমা ইন ভোকেশনাল এডুকেশন শিক্ষাক্রমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে এবং সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে কর্মরত জুনিয়র ইন্সট্রাক্ট্ররসহ ওপরের পদে কর্মরত শিক্ষকদের টেকনিক্যাল টিচার্চ ট্রেনিং কলেজে একাডেমিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। কিন্তু এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৩,১৬৯টি প্রতিষ্ঠানে ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৩০১টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী ট্রেড শিক্ষকদের একাডেমিক ভোকেশনাল শিক্ষক প্রশিক্ষণের কোনো ক্যবস্থা নেই । যার ফলে এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৩,৫৩,২৯৪ জন শিক্ষার্থী ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৭,২৬৫ জন শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষাক্রমে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএড করার ব্যবস্থা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শতকরা ৯৫ ভাগ আসনই বেসরকারী এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের দ্বারা পূরণ হয় । পক্ষান্তরে বেসরকারি এমপিও ভোকেশনাল ট্রেড শিক্ষকদের ভোকেশনাল শিক্ষক প্রশিক্ষণবিষয়ক কোনো একাডেমিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাই নেই। তাই ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) কে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজে রূপান্তর করে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং/ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার/সমমান পাসকৃত এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমে কর্মরত এমপিওভুক্ত ট্রেড বিষয়ের শিক্ষকদের ডিপ্লোমা ডিগ্রির ক্রেডিট ও কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) কোর্স চালু করা প্রয়োজন।

মাধ্যমিক পর্যায়ের ভোকেশনাল শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সাধারণ শিক্ষা ও ভোকেশনাল শিক্ষা সমন্বিত পরিচালিত এ শিক্ষাক্রমের নাম হবে ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved)। এ শিক্ষাক্রমের মেয়াদ হবে এক বছর, যা ১ম ও ২য় পর্বে বাস্তবায়ন করা হবে। এ শিক্ষাক্রমে প্রতি পর্বের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সময়কাল হবে ১৮ কার্য সপ্তাহ এর মধ্যে ১০ সপ্তাহ শ্রেণি কার্যক্রম এবং প্রতি সপ্তাহ হবে ৬ দিনের, প্রতি সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৩৬ পিরিয়ড ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পিরিয়ডের মেয়াদকাল হবে ৬০ মিনিট, তবে ব্যবহারিক বিষয়ে দুই পিরিয়ড একত্রে একটি ক্লাস হবে। প্রতি পর্বের সমাপনী পরীক্ষার পূর্বে শিক্ষার্থীদের ট্রেড বিষয়ে পাঠদান অনুশীলন-১ (কলেজ) ২ (দুই) সপ্তাহ ও পাঠদান অনুশীলন-২ (বিদ্যালয়) ৪ (চার) সপ্তাহ করে মোট ৬ (ছয়) সপ্তাহ পাঠদান অনুশীলন কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে হবে। পাঠদান অনুশীলনও বিষয় হিসেবে গণ্য হবে।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং/ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার/সমমান পাসকৃত এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমে কর্মরত এমপিওভুক্ত ট্রেড বিষয়ের শিক্ষকবৃন্দ ক্রেডিট ও চাকরির অভিজ্ঞতা সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) শিক্ষাক্রমের ১ম পর্বে ভর্তি হতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩ (তিন) বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । প্রস্তাবিত ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) শিক্ষাক্রমের ১ম পর্বে ভর্তি হওয়ার জন্য দরখাস্ত করার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে প্রস্তাবিত স্নাতক (ভোকেশনাল) বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমে কর্মরত এমপিওভুক্ত ট্রেড বিষয়ের শিক্ষকরা।

প্রস্তাবিত ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) শিক্ষাক্রম চালু করা হলে এমপিওভুক্ত ট্রেড শিক্ষকদের স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে না, ফলে সরকারের আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রেডের জন্য ঘঞঠছঋ সংশ্লিষ্ট ট্রেডের তিনটি বিষয়ে (CBT & A) লেভেল-০৩ (দক্ষতা প্রশিক্ষণ) প্রশিক্ষণসহ সনদ প্রদান করা যেতে পারে। অর্থাৎ সিভিল কনস্ট্রাকশন ট্রেডের ক্ষেত্রে ম্যাশনারি, রড বাইন্ডিং, টাইলস ওয়ার্কস, মেকানিক্যাল ট্রেডের জন্য লেদ মেশিন অপারেশন, মেশিনিস্ট, সেপার ও মিলিং মেশিন অপারেশন বিষয় নির্ধারণ করা যেতে পারে। ফলে একজন ট্রেড শিক্ষককে বারবার ট্রেড বিষয়ে দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে না এবং ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) কোর্স সম্পন্ন করতে একজন ট্রেড শিক্ষক একই সঙ্গে তিনটি বিষয়ের ওপর ঘঞঠছঋ লেভেলের (CBT & A) লেভেল-০৩ (দক্ষতা প্রশিক্ষণ) সনদপ্রাপ্ত হবেন। সমগ্র বাংলাদেশের এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের সব ট্রেডের সব ট্রেড শিক্ষকদের জন্য এই কোর্সটি শুধু ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) এর মত একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিটি বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এর ল্যাবসমূহকে ট্রেডভিত্তিক নির্বাচন করে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) এর ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) শিক্ষাক্রমের ক্যাম্পাসের মর্যাদা দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে। আর এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগে অবস্থিত সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ সমুহকে এই কার্যক্রমে সংযুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে । কারণ শুধুমাত্র প্রকল্প চলাকালীন সময় সাধারণ শ্রেণি কার্যক্রমসমূহ সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ও ব্যবহারিক বিষয়সমূহ ল্যাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হইবে, সনদপত্রে প্রতিষ্ঠানের নামের স্থানে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) থাকবে ক্যাম্পাসের স্থানে ব্যবহারিক ল্যাব ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষনের প্রতিষ্ঠানের নাম লিপিবদ্ধ থাকবে। ভবিষ্যতে প্রতিটি বিভাগে একটি করে ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ভিটিটিআই) স্থাপন করার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যাচেলর অব ভোকেশনাল এডুকেশন (B.ved) শিক্ষাক্রমটি চালু করা হলে দেশের এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের সব ট্রেডের সব ট্রেড শিক্ষকগণ পেশাগত উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে।

লেখক : ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর

ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালী

[email protected]

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়