দিলরুবা খাতুন, মেহেরপুর
মেহেরপুর বাজার
২০ কেজি ধান বেচলে এক কেজি কাঁচা মরিচ

কৃষি নির্ভর জেলা মেহেরপুরে কাঁচা মরিচের পর্যাপ্ত ফলন হলেও, বাজারে কমছে না দাম। ফলে বাজারে কৃষককে ২০ কেজি ধান বিক্রি করে এক কেজি কাঁচা মরিচ কিনতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম অযুহাত তুলে ব্যবসায়িরা মরিচের দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের পাইকারি কাঁচা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে। স্থানীয় জাতের মরিচ ৪০০ টাকা কেজি ও জিয়া মরিচ ৫০০ টাকা কেজি দামে। একই সময় বাজারে নতুন ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকা মন দরে। ফলে ২০ কেজি ধান বিক্রি করলে এক কেজি কাঁচা মরিচ কিনতে পারছেন কৃষকরা।
বাজারে সবজি কিনতে আসা পাদুকা কারিগর গোপাল দাস জানান, প্রতিদিন বাড়িতে ১০০ গ্রাম মরিচ লাগে। যার দাম ৫০ টাকা। নিত্যাপণ্যের এমন দামবৃদ্ধিতে আয়ের সঙ্গে ব্যয় মেলাতে পারছেন না বলে তিনি জানান।
শ্রমজীবী নারী রাহেলা বেগম বলেন, ‘দাম শুনে মরিচ কিনতে পারিনি। পাইকারি বিক্রি করা মরিচের আড়তের ফেলে দেওয়া ফাটা, চটকানো মরিচ কুড়িয়ে নিয়েছি। তা দিয়ে দুদিন চলে যাবে।’
ঝাউবাড়িয়া গ্রামের মরিচচাষি রবকুল মন্ডল বলেন, ‘আমি প্রতিবছর একবিঘা জমিতে মরিচ চাষ করি। প্রতিবছরই ভালো ফলন ও লাভ হয়। এ বছর পর্যাপ্ত ফলন হয়েছে। পাইকারি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলাম। কয়েকদিন আগে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি।’
বাজারে খুচরা মরিচ বিক্রেতা সামাদ সরকার জানান, তারা আড়ৎ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনে খুচরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।
পিডিএস/আরডি









































