রায়হান সিকদার, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া
ভেঙে পড়া সাঁকো ব্যক্তি উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ, এলাকায় স্বস্তি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়াপাড়া এলাকায় ভারী বর্ষণে একটি কাঠের সাঁকো ভেঙে গেছে। সোনাইছড়ি ছড়ায় কাঠের সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় এলাকার লোকজনকে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। সাঁকোটি ছিল তাদের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা চুনতি বড়ুয়াপাড়ায় ৪০ ঘরের চলাচলের রাস্তায় সোনাইছড়ি ছড়ার ওপর নির্মিত কাঁঠের সাঁকো। গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে ওই সাঁকোটি ভেঙে গেছে। যার ফলে ওই এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ওই এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের তাদের অভিভাবকদের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে হতো। যার কারণে ভোগান্তির অন্ত নেই। এলাকার লোকজন বিষয়টি চুনতির কৃতী সন্তান, চুনতি ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাবেক ছাত্রনেতা কফিল উদ্দিন লিটুকে অবগত করেন। তিনি তাৎক্ষণিক সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং জনদুর্ভোগ লাঘব করার জন্য এলাকার মানুষকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাঠের সাঁকোটি নতুনভাবে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।
এলাকার বাসিন্দা, চুনতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গীতা বড়ুয়া তুষীসহ কয়েক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, আমরা সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করি। ভারী বর্ষণে সাঁকোটি ভেঙে যায়। আমাদের চলাচলে কষ্টের সীমা ছিল না। এলাকার বাসিন্দা লিটু চাচার অর্থায়নে ইকবাল ও আনোয়ারের সহযোগিতায় আমরা নতুনভাবে সাঁকোটি পেয়েছি। আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।
এলাকার কয়েক বাসিন্দা বলেন, সাঁকোটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সোনাইছড়ি কাঠের সাঁকোটি ভারী বর্ষণে ভেঙে গেলে আমরা চলাচল করতে পারতাম না। অনেক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো। বিশেষ করে আমাদের মেয়েরা স্কুলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো। তাদের কোলে করে পারাপার করে দিতে হতো। এলাকার বাসিন্দা লিটুর অর্থায়নে আনোয়ার ও ইকবাল বাহারের আন্তরিক সহযোগিতায় এই সাঁকোটি পেয়েছি। আমরা অনেক খুশি।
সাবেক ছাত্রনেতা কফিল উদ্দিন লিটু বলেন, গেল কিছুদিনের ভারী বর্ষণে চুনতিতে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আমার সামর্থ্যানুযায়ী ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি। চুনতি বড়ুয়াপাড়ায় দীর্ঘদিনের চলাচলের সাঁকোটি ভারী বর্ষণে ভেঙে গেছে। বিষয়টি স্থানীয় এলাকার লোকজন আমাকে অবগত করলে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। আমার ব্যক্তিগত অর্থায়নে লোহা-কাঠের সাঁকোটি নির্মাণ করার ব্যবস্থা করেছি। এটি নির্মাণ হওয়ায় জনদুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে ৪০টির মতো পরিবার।
চুনতি বড়ুয়াপাড়া এলাকায় কাঠের সাঁকোটি নির্মাণ হওয়ায় এলাকার লোকজন সাবেক ছাত্রনেতা কফিল উদ্দিন লিটু ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ইকবাল বাহারসহ এই কাজে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
"







































