ইকবাল হোসেন রুবেল, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড
শতবর্ষী পুকুর ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের কাজীবাড়ী-সংলগ্ন পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে পুকুর ভরাট করে গৃহনির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের তীর মাকসুদুর রহমান প্রকাশ বজল সওদাগরের দিকে। অভিযুক্ত মাকসুদুর রহমান মৃত
সিরাজুল মোস্তফার পুত্র। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা।
গত মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, পুকুরের দুই পাড়ের বেশ কিছু অংশ বালু দিয়ে ভরাট করেছে স্থানীয় ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি। ভরাট করা জায়গার পশ্চিম পাশের অংশে গৃহনির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে পুকুরের দক্ষিণ পাশের অংশে ভরাট করে বাঁশের বেড়া দিয়ে রেখেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, মাকসুদুর রহমান প্রকাশ বজল সওদাগর প্রভাবশালী হওয়ায় তার এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করছেন না। শতবর্ষী এই পুকুরটির আয়তন প্রায় ৩০০ শতক।
সীতাকুণ্ড উপজেলায় এমনকি গত ১০ বছরে বিধিবহির্ভূতভাবে অন্তত ১৫টি পুকুর ভরাট করে ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন প্রভাবশালীরা। এইভাবে পুকুর ভরাটের কারণে পরিবেশের চরম ক্ষতি সাধন হচ্ছে। আইনের সঠিক প্রয়োগ তদারকি ও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে আইন-কানুনের কোনো তোয়াক্কা না করে অন্যায়ভাবে পুকুর ভরাট করে পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে চলছে। আইনের তোয়াক্কা করে না- এমন অন্যায়কারীদের আইনের আওতায় আনা হয় তবে এ অপকর্ম চলতেই থাকবে। একজনের দেখানো পথে অন্যরা চলবে, এমনকি এমন অপরাধ করতে উৎসাহিত হবে।
বিষয়টি জানতে মাকসুদুর রহমান প্রকাশ বজল সওদাগরকে তার মুঠোফোন কল করা হলে তিনি প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, আমি পুকুটির অংশীদার। খতিয়ানে আমার নাম আছে। পাড় ভেঙে যাওয়ায় ভরাট করে আমি ভাড়াঘর নির্মাণ করছি। আমার কোনো ইনকাম নেই, ভাড়াঘরের ভাড়া দিয়ে আমি চলি। কারো ক্ষতিসাধন হবে এমন কাজ আমি করছি না।
পুকুর ভরাটের বিষয়ে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের কাছে জানতে তাকে মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, বিষয়টি আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।
"






































