রাঙামাটি প্রতিনিধি
রাঙামাটির বনফুলে পঁচা-বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগ

রাঙামাটি শহরের প্রানকেন্দ্র বনরূপার বনফুল এন্ড কোং এর বিরুদ্ধে পঁচা-বাসি মিষ্টি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে মঙ্গল চাকমা নামে এক ব্যক্তি মিষ্টি কিনে প্রতারণার শিকার হয়ে এ অভিযোগ তুলেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বনফুল এন্ড কোং দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ও পঁচা-বাসি খাবার রাখার অভিযোগ অনেক দিনের। এর আগেও মেয়াদোত্তীর্ণ জিনিস রাখার দায়ে ভাম্যমান আদালত এ দোকানীকে জরিমানা করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। প্রশাসন থেকে জরিমানা করা হলেও থামছে না পঁচা-বাসি মিষ্টি বিক্রি। এ ধরনের অভিযোগ বহু গ্রাহকের।
ভুক্তভোগী মঙ্গল চাকমা বলেন, রাঙামাটি শহরের মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে তার আত্মীয় এক নবজাতকের জন্ম হয়। এ সুখবর শুনে উত্তরা ব্যাংকের নিচে থাকা বনফুল এন্ড কোং দোকান থেকে মিষ্টি কিনে ডাক্তার ও নার্সদের জন্য পাঠানো হলে হাসপাতাল থেকে মিষ্টি পঁচা-বাসির বিষয়টা জানানো হয়। পরে কেনা ওই মিষ্টি বনফুল দোকানে নিজে গিয়ে অভিযোগ করলে তাদের দোষ স্বীকার করে মিষ্টি পরিবর্তন করে করে দেয়।
নিজেদের দোষ স্বীকার করে বনফুল এন্ড কোং এর ম্যানেজার জাহিদ বলেন, "ভুলবশত এ রকম হয়েছে। গ্রাহককে ওই মিষ্টি পরিবর্তন করে নতুন মিষ্টি দেওয়া হয়েছে। পঁচা-বাসি যা মিষ্টি ছিল সবগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে। ছিঁড়া শুকনো মিষ্টিগুলো বাসি হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে বৃহত্তর বনরুপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেড এর সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন বলেন, "সমিতির পক্ষ থেকে বার বার বলা হয়েছে যদি কোন দোকানদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এবং তা যদি সত্য প্রমাণিত হয় তাহলে সমিতির পক্ষ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানার কথা বলা হয়েছে। যদি বনফুল দোকানদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে তাহলে সমিতির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। "
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ বলেন, "বর্তমানে বনফুলের দুইটি দোকান আছে। এর আগে বনরুপা বাজারের পাশে বনফুলের দোকানীকে বেশ কয়েক বার জরিমানা করা হয়েছে। রাঙামাটির অতিরিক্তে দায়িত্বে আছি। এখন চট্টগ্রামে আছি। রাঙামাটি আসলে সত্যতা যাচাই-বাছাই করে ওই অভিযুক্ত দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।









































