ক্রীড়া প্রতিবেদক

  ৯ ঘণ্টা আগে

হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ

নাগালে পেয়েও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ও দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে হারের লজ্জায় ডুবেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ১৪০ রান করতে পারেননি মেহেদী মিরাজরা। তবে শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ২০০ রানের লক্ষ্যে নেমে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

গতকাল শনিবার হারাতে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়ে শিবিরে ধাক্কা দেন বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তিনি ৪ উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের অলআউট করেন। জবাবে নেমে তানজিদ তামিম ৯৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে সহজে জেতান। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ১৫১ রানের জুটি গড়েন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে ২৭ রানে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারায়। চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়লেও শরিফুলের তোপে ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধসে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে প্রথম দুই ম্যাচে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করা দলটি। বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে ওয়েলসলি মেধেভেরে ৭৪ বলে ৭৫ ও ব্রাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েকে লড়াই করার পুঁজি এনে দেন।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালো জুটি দিতে না পারা বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে ফেলে। সৌম্য ফিরে যাওয়ার আগে ৮২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। দল যখন জয় হতে ৬ রান দূরত্বে তখন তানজিদ তামিমও সেঞ্চুরি হতে ৬ রান দূরে ছিলেন। তিনি সেঞ্চুরি করতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। তার ব্যাট থেকে আটটি চার ও তিনটি ছয়ের শট আসে। পরেই তাওহীদ হৃদয় (০) আউট হন। নাজমুল শান্ত ১৮ রান করে ১৪ ওভার থাকতে দলকে জয় এনে দেন।

বল হাতে ৪ উইকেট নেওয়া শরিফুল ১০ ওভারে ৪৪ রান দেন। তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। বাঁ হাতি স্পিনার তানভীর ১০ ওভারে ৩৭ রান খরচা করে ২ উইকেট তুলে নেন।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়