কাজী শহিদুল ইসলাম

  ৫ ঘণ্টা আগে

শিগগিরই নতুন কমিটি পেতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল

* নতুন নেতৃত্ব চূড়ান্ত করতে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা * পদ পেতে আগ্রহী অনেকেই, চলছে তদবির-দৌড়ঝাঁপ

দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত সংগঠনটির বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির দুই বছরের মেয়াদ চলতি বছরের ১ মার্চ শেষ হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ এ কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে আলোচনা বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দলীয় অঙ্গনজুড়ে সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতৃত্ব চূড়ান্ত করতে বিএনপির শীর্ষপর্যায়ে আলোচনা চলছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কয়েকজন নেতার নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রয়েছে। বিবেচনায় রয়েছে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং দীর্ঘদিন রাজপথে ভূমিকা রাখা নেতাদের অগ্রাধিকার। পদপ্রত্যাশী নেতাদের ভাষ্য, অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও সন্তুষ্ট হবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে, তারা হলেন- ইজাজুল কবির রুয়েল, খোরশেদ আলম সোহেল, মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ, ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, আমান উল্লাহ আমান, মমিনুল ইসলাম জিসান, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফ প্রধান শুভ, গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও মো. আবু হুরায়রা।

ইজাজুল কবির রুয়েল : ইজাজুল কবির রুয়েল বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির ২নং সহ-সভাপতি। বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থী স্মার্ট ছাত্রনেতা

রুয়েল এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত রুয়েল ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন। ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নিজ বিভাগে ঈর্ষণীয় ফলের জন্যও তার সুনাম রয়েছে এ ছাত্রনেতার। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে প্রথম দিন থেকেই সব কর্মসূচিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সরব উপস্থিতি, ক্লিন ইমেজ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা এ ছাত্রনেতাকে অন্যদের থেকে আগামী কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে এগিয়ে রাখবেন বলে নেতাকর্মীদের বিশ্বাস।

খোরশেদ আলম সোহেল : খোরশেদ আলম সোহেল বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ : মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বারবার রিমান্ডসহ মাসের পর মাস জেল খেটেছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল : ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল বর্তমানে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র আউয়াল এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিগত আন্দোলন-সংগ্রামের পরিচিত মুখ। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল।

কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত : কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। এর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ছাত্রনেতা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০১৫ সালের অবরোধে গুলির মুখে পুলিশ ৪ তলা থেকে ফেলে দেয়। তিনদিন গুমসহ অনেক মিথ?্যা মামলায় টানা ৮ মাসের বেশি এবং বারবার কারান্তরীণ ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে সৃজনশীল নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে সুপরিচিত। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আমান উল্লাহ আমান : আমান উল্লাহ আমান বর্তমানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। সংগীত বিভাগের ছাত্র আমান এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ২৮ অক্টোবর-পরবর্তী আন্দোলনে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি দুই মাস কারাগারে ছিলেন। ৫ আগস্টের পর সংগঠনকে সুশৃঙ্খল করা এবং ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিলেন আমান।

মমিনুল ইসলাম জিসান : মমিনুল ইসলাম জিসান বর্তমানে ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র জিসান এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি পরিচিত মুখ। আওয়ামী লীগ আমলে একাধিকবার মামলা ও হামলার শিকার হন এবং আটক ছয়বার। সবচেয়ে বেশিদিন কারাবরণ প্রায় দুই বছর। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও তিনি শুরু থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মোস্তাফিজুর রহমান : মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাকে সবাই দলের দুর্দিনের ভিপি হিসেবে চেনেন। দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এ ছাত্রনেতা বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শুরু থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

শরীফ প্রধান শুভ : শরীফ প্রধান শুভ বর্তমানে ছাত্রদলে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদায় প্রচার সম্পাদক। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র শরীফ এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রথম দিন থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

গণেশ চন্দ্র রায় সাহস : গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রথম দিন থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মো. আবু হুরায়রা : মো. আবু হুরায়রা বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি। আওয়ামী সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

যা বলছেন পদপ্রত্যাশীরা : পদপ্রত্যাশী ছাত্রদল নেতারা বলছেন, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত নেতাদের দিয়েই নতুন কমিটি গঠন করা হলে সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে। তাদের ভাষ্য, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি যাকে যে দায়িত্ব দেবেন, সেটিই সবাই মেনে নেবেন। সহ-সভাপতি ইজাজুল কবির রুয়েল প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। তবে বর্তমান কমিটির কর্মসূচি আগামী ৩ তারিখ পর্যন্ত রয়েছে। সে কারণে ওই সময়ের পরও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ নিয়ে আলাদা কোনো বিতর্কের সুযোগ নেই। আমরা আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের প্রতিই আস্থাশীল। সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আমাদের মধ্যে সুস্থ ধারার প্রতিযোগিতা রয়েছে, কোনো ধরনের প্রতিহিংসা নেই। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সার্বিক নির্দেশনায় ছাত্রদল একটি গুণগত, আদর্শভিত্তিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি সংগঠনের জন্য যাদের সবচেয়ে যোগ্য মনে করবেন, তাদের হাতের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেবেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব নেতাকর্মী তার সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ আস্থাশীল।

সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আলম রিয়াদ প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমি বিশ্বাস করি, ছাত্রদলের নেতৃত্বে এমন ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হবে যারা ব্যক্তিনির্ভর নয়, বরং নীতি ও কর্মসূচিভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তাদের নেতৃত্বে সংগঠনের সাংগঠনিক চর্চার মধ্য দিয়ে একটি মেধাবী, আদর্শবান ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে উঠবে। আমি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করি, ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধরনের যোগ্য নেতৃত্বই নির্বাচন করবেন। সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, কমিটি গঠন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমাদের বর্তমান কমিটির দুই বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই স্বাভাবিক নিয়মেই নতুন কমিটি গঠন করা হবে। ছাত্রদল সবসময়ই একটি প্রগতিশীল সংগঠন। নতুন নেতৃত্বের বিষয়ে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই সিদ্ধান্ত নেবেন।

সহ-সভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, দীর্ঘদিন ফ?্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে যারা সম্মুখসারিতে ছিল, যাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানে শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে, তাদের মূল্যায়ন করে এবং দলের প্রতি শতভাগ কমিটমেন্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে দক্ষ, স্বচ্ছ এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রেখেছে তাদের মূল্যায়ন করলে সংগঠন আরো গতিশীল ও কার্যকর শক্তিশালী হবে। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান বলেন, সংগঠনের নেতাকর্মীরা নতুন কমিটির জন্য, আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মুখিয়ে রয়েছেন। নতুন কমিটির নেতৃত্বে দেশ গড়ায় অংশ নেবে ছাত্রদল। সংগঠনের তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত আমার একটি নিবিড় যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের সংগঠনের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক অভিভাবক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রাখি। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেই আলোকে কাজ করতে আমি সদা প্রস্তুত।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দীর্ঘ ১৭ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে একটি অবৈধ সরকারকে উৎখাত করেছে, আর এখন সেই ভঙ্গুর দেশকে গড়ে তোলা। বাংলাদেশকে নতুনভাবে পূর্ণগঠনের ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রধানমন্ত্রীর সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে চায়। ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আমাদের সাংগঠনিক অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব অতীত ও ভবিষ্যতের বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়েই বরাবরের মতোই মেধাবী, দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ইমেজসম্পন্ন, রাজপথে পরীক্ষিত ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন বলে আমরা এ বিষয়ে পরিপূর্ণ আস্থা রাখি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়