বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের প্রথম ভোট ও তাদের প্রত্যাশা
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় পর ভোটাররা মেতেছে নির্বাচনী আমেজে। শহরে বা গ্রামে, অফিস বা চায়ের স্টলে, কিশোর বা প্রবীণ, শিক্ষার্থী বা কর্মজীবী, পারিবারিক আসর বা বন্ধুদের আড্ডায় সব জায়গায় আলোচনার তুঙ্গে রেয়েছে আসন্ন নির্বাচন। নবীন ভোটাররা স্বপ্ন দেখছে ভোটের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের। তারা তাদের প্রথম ভোট বিফলে যাক এমনটা চায় না, তাইতো তারা কোনো দল বা প্রতীক দেখে নয়, প্রার্থীর যোগ্যতা, সততা ও বাস্তবে দেশ গড়ার সম্ভাবনা দেখে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছে। ভোট প্রদানে তারা সচেতন নাগরিকের পরিচয় দিতে যাচ্ছে আসন্ন নির্বাচনে। এই তারুণ্যের একটি ভোট পাল্টে দিতে পারে সমাজ বা দেশের চিত্তে, আঘাত হানতে পারে সকল অন্যায়-অপরাধ নির্মূলে। এমনই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কিছু তরুণ শিক্ষার্থীর ভোট ও তাদের প্রত্যাশার কথাগুলো তুলে ধরেছেন মোফাজ্জল হোসেন

প্রথম ভোট, প্রথম দায়িত্ব ও আমার নির্বাচন ভাবনা
সামনে এক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন। আমরা যারা এবার জীবনের প্রথম ভোট দিতে যাচ্ছি, আমাদের তরুণদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে গভীর আগ্রহ ও দায়িত্বের বিষয়। জুলাই অভ্যুত্থানে বীর শহীদদের আত্মত্যাগ, আহত যোদ্ধাদের যন্ত্রণা এবং দীর্ঘ ফ্যাসিবিরোধী আন্দোলনে স্বজনহারানো মানুষের অশ্রুকণা আমাদেরকে বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়, হারিয়ে যাওয়া ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার দায়। আমরা তরুণেরা প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে সেই দায়ের সামান্য হলেও শোধ করতে চাই।
দুর্নীতি ও নিপীড়নবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আমি এমন একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চাই, যিনি অন্যায় ও অনিয়মের প্রশ্নে আপসহীন থাকবেন। যিনি জালিমের সঙ্গে কখনোই সমঝোতা করবেন না এবং দুর্নীতি ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের সিপাহশালা হয়ে দাঁড়াবেন।
আমি জনপ্রতিনিধিদেরকে বাগানের মালির মতো দেখতে চাই। যেমন নানা রঙ, নানা গন্ধ ও নানা ফুল মিলেই একটি সুন্দর বাগান গড়ে ওঠে। তেমনি নানা পথ, মত, ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক সহাবস্থানই মানবসভ্যতার মূল কথা। আগামীর জনপ্রতিনিধিদের কাছে আমার প্রত্যাশা, বাংলাদেশ নামক এই বাগানে মতভিন্নতার কারণে যেন কোনো ফুলকে মাড়িয়ে ফেলা না হয়, কোনো জুলুম না হয়; আর অন্যায়কারীদের সঙ্গে যেন কখনোই আপোষ না করা হয়। সর্বোপরি, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের বাংলাদেশ চাই।
কাজী আশফিক রাসেল
শিক্ষার্থী; রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রথম ভোটের দায়িত্ব; স্বপ্ন আর প্রত্যাশার পথচলা
প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য গভীর আবেগ ও দায়িত্ববোধের মুহূর্ত। বইয়ের পাতায় পড়া গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থার তত্ত্ব এবার বাস্তবে প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছি। এতদিন নির্বাচন ছিল আলোচনা ও বিশ্লেষণের বিষয়; এবার আমি নিজেই সেই প্রক্রিয়ার অংশ হতে যাচ্ছি- এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়।
আমি মনে করি, আমার প্রথম ভোট হবে সচেতন বিবেচনায়। প্রার্থীর সততা, যোগ্যতা, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে। আমি চাই নির্বাচন হোক শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর, এবং ফলাফল সবাই গণতান্ত্রিকভাবে মেনে নিয়ে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবে।
নবীন ভোটার হিসেবে আমি অবশ্যই উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ দেখতে চাই। দৃশ্যমান উন্নয়নের পাশাপাশি শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশেও গুরুত্ব প্রয়োজন, কারণ শৈল্পিক চর্চা জাতির মনন গড়ে তোলে। পাশাপাশি দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক, এটাই প্রত্যাশা।
দেশের মেধাবী তরুণরা যেন স্বল্প মজুরি ও সুযোগের অভাবে দেশ ছাড়তে বাধ্য না হয়, সে দিকেও আগামীর সরকারের নজর দেওয়া জরুরি। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আমার ভোট দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে একটি অর্থবহ ভূমিকা
রাখবে।
মাইশা সিদ্দিকা
শিক্ষার্থী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রই হোক আগামীর প্রত্যাশা
বর্তমান বাংলাদেশে যখন প্রতিদিন নাগরিক নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সংকটময় পরিস্থিতিতে বসবাস করছে, ঠিক এমন একটি সময় জাতীয় নির্বাচন দেশের যোগ্যনেতৃত্ব বাছাইয়ের একটি প্রক্রিয়া হয়ে এসেছে। প্রতিটি ভোট এখানে মুল্যবান। তারুণ্যের একটি ভোট নির্ভর করবে আগামীতে দেশের নেতৃত্ব কে দিবে? দেশের আগামী পাঁচ বছরের দায়িত্ব এমন একটি ব্যক্তি বা সরকারের অধীনে আসুক যারা ব্যাক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে দেশের সামগ্রিক ও দীর্ঘস্থায়ী কল্যাণ লাভের জন্য কাজ করে যাবে। ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ কোনো বিভাজন নয় বরং সাম্যের ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ গড়ার চেষ্টা করবে। দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে যাতে পরনির্ভরশীল না হতে হয়। স্বাধীনতার পূর্বে এবং স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্র এবং পশ্চিমা আধিপত্যবাদের অধীনে আমাদের দেশের অনেক মেধাশ্রম ও সম্পদ নষ্ট হয়েছে। শুধু ভূখণ্ডে নয় বরং কোনো দেশের উপর নির্ভরশীল না হয়ে আমাদের স্বনির্ভর স্বাধীনতা ও সক্ষমতার উপর বিশ্বাস রেখে বাংলাদেশ পন্থী রাজনীতি করবে এমন একটি সরকার এই মুহূর্তে দরকার।
সর্বোপরি দ্রব্যমূল্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বেকারত্ব দূরীকরণ এর জন্য যারা কাজ করবে তারাই ভোটে অগ্রাধিকার পাবে। এবং শুধু নির্বাচনে নয়, আগামীতেও তরুণরা তাদের সঙ্গে নতুন বাংলাদেশ গড়ায় কাজ করবে।
ফিয়াদ নওশাদ ইয়ামিন
শিক্ষার্থী; কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
ভোটের পর প্রার্থীরা প্রতিপক্ষ নয়, হোক নিজেদের শক্তি
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে, ২,৫৮২ জন প্রার্থীকে মনোনীত করা হয়েছিল। নির্বাচন তাদের মধ্যে ৭২৩ জনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যার ফলে বর্তমানে ১,৮৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এত বড় সংখ্যক নেতাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ফলে গড়া বাংলাদেশের নতুন বন্দবস্ত দেখার অপেক্ষায় গোটা দেশবাসী। বছরের পর বছর শোষকের হাতে বন্দী থাকা স্বাধীনতা কামী জনগণ এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। যে স্বপ্ন আরো রঙিন হওয়ার দিশা দেখিয়েছে দেশের তরুণ প্রজন্ম। ১৬ বছরেরও বেশি সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে নিপীড়ন হতে রক্ষা করা এই তরুণ প্রজন্মই যেন দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কান্ডারী।
তাই এবারের নির্বাচন, একজন নতুন তরুণ ভোটারের জন্য একটি আবেগ ও বিবেকের প্রসঙ্গ। আমরা কেবল উপযুক্ত প্রার্থীই বাছাই নয় বরং নির্বাচনের পর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা দলমত নির্বিশেষে নেতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক দেখতে চায়। যেখানে এক দলের প্রতি অন্য দলের সমালোচনা থাকবে, পারস্পরিক সহযোগী ও সম্মানবোধ থাকবে, তবে থাকবে না কোনো প্রতিহিংসা। যে দলই নির্বাচিত হোক না কেন তারা যেন দেশের স্বার্থে কাজ করে। অতীতের ন্যায় নিজেদের ক্ষমতা বাস্তবায়ন কিংবা অন্য দলের কাজে বাধাগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে মারামারি, হানাহানি কিংবা অরাজকতা সৃষ্টির বদলে, মিলেমিশে একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করে, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করুক দেশের স্বার্থে, নিজেদের স্বার্থে নয়। এটিই আমার মতো নতুন প্রজন্মের নতুন আকাঙ্ক্ষা।
তানজিলা আক্তার
শিক্ষার্থী; ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা।
ব্যালট পেপারে আগামীর বাংলাদেশ; নতুন ভোটারদের ভাবনা
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার একজন নাগরিকের শ্রেষ্ঠ শক্তি। এ বছর আমরা যারা প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছি, তাদের মধ্যে কাজ করছে রোমাঞ্চ এবং দেশ গড়ার এক বিশাল দায়বদ্ধতা। জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী এই নির্বাচন নতুন ভোটারদের কাছে কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের চাবিকাঠি।
আমরা তরুণ ?নতুন ভোটারদের প্রধান অনুভূতি হলো দীর্ঘদিনের ‘ভোট দিতে না পারার’ আক্ষেপ থেকে মুক্তি পথে। আমরা একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ চাই। আমরা তরুণ প্রজন্মের এই অংশটি কোনো অন্ধ দলীয় আনুগত্যে বিশ্বাসী নয়; বরং আমরা প্রার্থীদের যোগ্যতা, সততা এবং জনকল্যাণের ইতিহাস বিচার করে রায় দিতে প্রস্তুত।
?প্রত্যাশার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা একটি বৈষম্যহীন এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামো দেখতে চাই। আমাদের প্রধান দাবি হলো- মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা। এমন এক জনপ্রতিনিধি চাই, যিনি জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী এবং যার কাছে দল অপেক্ষা রাষ্ট্র বড়। শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাও আমদের অন্যতম দাবি। সব মিলিয়ে, প্রথম ভোট দেওয়ার মাধ্যমে আমরা তরুণরা এমন এক রাষ্ট্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে চায়, যেখানে আইনের শাসন হবে ধ্রুবসত্য।
মো. রনি চৌধুরী
শিক্ষার্থী; প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম।
নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ ও গণতন্ত্রের নতুন সম্ভাবনা
আমার মতো হাজারো তরুণ-তরুণী এবার প্রথমবার ব্যালটের সামনে দাঁড়াবে। তাদের কাছে এই জাতীয় নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এটি নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ। ফলে এই নির্বাচন নিয়ে তরুণ ভোটারদের প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই গভীর এবং বহুমাত্রিক।
আমাদের প্রত্যাশা খুব সাধারণ ভয়মুক্তভাবে, ভোট কেন্দ্রে গিয়ে, নিরপেক্ষ ভাবে ভোট দেওয়া। ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পর যাতে কোনো চাপ বা প্রভাবের সম্মুখীন হতে না হয়, এমন কি একজন রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি পর্যন্ত সবাই যাতে সমানভাবে তাদের মত প্রকাশ করতে পারে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ফলাফলের স্বচ্ছতা ও নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ভূমিকা নতুন ভোটারদের আস্থা তৈরির প্রধান ভিত্তি। একজন ভোটারের প্রত্যাশা শুধু ভোটদান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। আমরা নতুন প্রজন্মের ভোটাররা বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোকে সামনে রেখে রাজনীতিকে মূল্যায়ন করি। উচ্চশিক্ষার পরে আমাদের বেকারত্ব বাস্তব জীবনে হতাশা তৈরি করছে। তাই আমরা এমন নেতৃত্ব চায় যারা বাস্তবমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, দ্রব্যমূল্যের দাম শিথিল করবে, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের দিকে নজর দিবে। আমরা রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দেখতে চায়, যেখানে ক্ষমতা মানে দায়িত্ব, সুবিধা ভোগ করা নয়।
এই ভোটারদের মধ্যে একটি বিশেষ অংশ হলো নারী, যারা সন্ধ্যার পর রাস্তায় বের হতে ভয় পায়, নানা রকম হয়রানিমূলক সমস্যার কারণে। তাই আমদের প্রত্যাশা একটি নিরাপদ শহর, কার্যকর আইন এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ব্যাবস্থা। তাই আমরা আর মুখে বা কাগজে-কলমে নয়, চাই সমাজের দৃশ্যমান পরিবর্তন।
তাই সর্বোপরি বলতে চাই, আমাদের নতুন ভোটারদের কাছে এই নির্বাচন একটি পরীক্ষার মতো, যেখানে রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবে, তারা একটি নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও সম্ভবনাময় বাংলাদেশ গড়তে পারবে কি না। প্রথম ভোটাররা ভোটের সঙ্গে জমা দিচ্ছে তাদের একটি বড় প্রত্যাশার অংশ। এই প্রজন্ম এখন আর আশ্বাসে বিশ্বস্ত নয়-তারা বাস্তব পরিবর্তনের
অপেক্ষায়।
লিমা আক্তার
গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
"









































