আবদুল্লাহপুরে রিজিড পেভমেন্টের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ

আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন এলাকায় চলমান রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজ এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সদ্য নির্মিত ৪৫০ মিটার রিজিড পেভমেন্টের কাজের মান ও অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে গুণগত মান শতভাগ নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বিআরটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া, সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন না পাওয়া এবং ঠিকাদার না থাকায় আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে জনদুর্ভোগ কমাতে আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গী ইউ-টার্নের রিজিড পেভমেন্টের কাজ প্রকল্প থেকে আলাদা করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কাজের জন্য গত ১৯ জানুয়ারি চুক্তি স্বাক্ষর এবং ১ মার্চ কার্যাদেশ দেওয়া হয়। গত ২১ এপ্রিল থেকে পেভমেন্ট কোয়ালিটি কংক্রিট (পিকিউসি) দিয়ে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।
পরে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রয়োজনে রাস্তার এক পাশ বন্ধ রাখতে হলে অন্য পাশ যান চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্মাণকাজের গুণগত মানের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না। মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে হবে।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দেশের যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।









































