কেইনের গোলে শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি ইংল্যান্ড

ম্যাচের ৭৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডই জয়ী। ৭৫ ও ৮৬ মিনিটে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত দুই গোলে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
আগামী ৬ জুলাই শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।
বুধবার জোড়া গোলের পথে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যায় পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন কেইন। পেলের ১২ গোল ছাপিয়ে ইংলিশ অধিনায়কের গোল ১৩টি। এবারের আসরেও যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন কেইন। আর্লিং হলান্ডের মতো তার গোলও ৫টি। ৬টি করে নিয়ে শীর্ষ লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ম্যাচ শেষে ইংলিশ খেলোয়াড়েরা এক সারিতে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে গ্যালারির সমর্থকদের সঙ্গে গান ধরলেন। সবার মুখে হাসি। সবচেয়ে উজ্জ্বল যার মুখ, তিনি হ্যারি কেইন। তার মুখের হাসিটা শুধুই আনন্দের নয়, যেন বহুক্ষণ ধরে জমে থাকা অস্থিরতা এক ঝটকায় খুলে গেছে।
এই ম্যাচের গল্প তো তিনিই লিখেছেন, ৮৬ মিনিটে ইংল্যান্ডকে জেতানো গোল করে, কিংবা তার আগে ৭৫ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলে। স্কোরবোর্ড: ইংল্যান্ড ২-১ ডিআর কঙ্গো। বিরতির সময় টমাস টুখেলের মুখটা নিশ্চয়ই বলে দিচ্ছিল, এই অর্ধবিরতির আলোচনাটাই হতে চলেছে তার কোচিং জীবনের সবচেয়ে কঠিন। হারলেই বিদায়, আর হয়তো চাকরিও। কিছু একটা নিশ্চয়ই বলেছেন, আর তাতে কাজও হলো। দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের খুঁজে পেল ইংল্যান্ড। ৬১ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের নামা যেন গল্পে নতুন চরিত্রের প্রবেশ।
৭৫ মিনিটে অবশেষে সমতা। ডান দিক থেকে ডেকলান রাইসের ক্রস, বাঁ থেকে গর্ডনের নিখুঁত ডেলিভারি আর শানসেল এমবেম্বার কাঁধের পাশ ঘেঁষে ছয় গজ থেকে কেইনের হেড, ১-১। ইংল্যান্ড যেন শ্বাস ফিরে পেল। তারপর আসে সেই মুহূর্ত। ৮৬ মিনিটে বেলিংহামের দৌড়, এমপাসির সেভ, গর্ডনের লড়াই করে বল রাখা, আর তারপর সেই পাস। কেইন বলটা নিয়ন্ত্রণ করলেন। সামান্য জায়গা তৈরি করলেন। তারপর ডান পায়ের বুলেট শট। বল জালের ডান দিকের ওপরের কোণে, ২-১। এই বিশ্বকাপে কেইনের পঞ্চম গোল। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১৩টা।
একটা দল যখন ভেঙে পড়ার পথে, তখন কাউকে দাঁড়াতে হয়। আটলান্টায় ইংল্যান্ডের জন্য সেই মানুষটি ছিলেন হ্যারি কেইন।









































