নিজস্ব প্রতিবেদক
বন লুটছে বন বিভাগ!
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য

‘দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ’ পত্রিকা ও অনলাইন সংস্করণে ২০ মে ২০২৬ তারিখে ‘বন লুটছে বন বিভাগ!’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ২১ মে ২০২৬ তারিখে একটি সম্পাদকীয় লেখা হয়। বন লুটছে বন বিভাগ! শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বান্দরবান বন বিভাগ।
বান্দরবান সদর বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার কাজী মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, বান্দরবান বন বিভাগ নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মহোদয়সহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সামাজিকভাবে হেয় করার অপপ্রয়াস মাত্র। অসত্য তথ্য সংবলিত সংবাদ প্রতিবেদন পাঠে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূরীকরণের লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে, বান্দরবান বন বিভাগের আওতাধীন রেঞ্জসমূহ ও টহল দলের নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবির চেক পোস্টে সার্বক্ষণিক নজরদারি, চেকিং ও তদারকির কার্যক্রম চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রকাশিত প্রতিবেদনে বান্দরবান বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার ছবি সংবলিত অসত্য ও ভিত্তিহীন সংবাদ উপস্থাপন করে বান্দরবান বন বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তাছাড়া বান্দরবান পার্বত্য জেলার ভূমিমালিকগণের নিজস্ব ভূমিতে সৃজিত কর্তনযোগ্য বাগানের গাছ কর্তনের নিমিত্ত Chittagong Hill Tract Forest Transit Rules, ১৯৭৩ এর বিধানাবলী অনুসরণ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জোতভূমির গাছ কর্তন ও পরিবহনের অনুমতি বন বিভাগ ফ্রি-লাইসেন্স মূলে দিয়ে থাকে।
প্রতিবাদপত্রে আরো বলা হয়, প্রাকৃতিক বন বা কোনো সংরক্ষিত বনাঞ্চল হতে গাছ কর্তন, আহরণ বা পরিবহনের কোনো প্রকার সুযোগ নেই। এখানে কোনো ব্যক্তি বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বন কর্মকর্তাদের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। আমি এই অসত্য প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া পত্রিকায় অন্যান্য বিষয়ে যে অভিযোগ আনায়ন করা হয়েছে তা বাস্তবতা বিবর্জিত। প্রকৃতপক্ষে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিসহ বন বিভাগের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ ও বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : বান্দরবান সদর বন বিভাগকে নিয়ে লেখা ‘বন লুটছে বন বিভাগ!’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেদনের প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করেই প্রতিবেদনটি ছাপানো হয়েছে। বন বিভাগের প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে বান্দরবান বনের আওতায় থাকা শতবর্ষী গাছের বিলুপ্তি হয়েছে যার ক্ষত এখনো বিদ্যমান।
"







































