সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)

  ২০ ঘণ্টা আগে

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া

খাল ভরাটে সড়কে পানি ভোগান্তিতে পথচারী

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এখন চরবেড়া গ্রামের প্রায় দেড়শো ফুট সড়ক পথ চলাচলকারিদের কাছে অসুবিধার হয়ে দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি হলেই দিনের পর দিন পানি জমে থাকে। একশো মিটার এইচবিবি সড়কের মধ্যে প্রায় দেড়শো ফুট সড়ক পথে জমে থাকা বৃষ্টির পানি খচে সবাইকে চলাচল করতে হয়। চরবেড়ার এ সড়কে বিভিন্ন গ্রামের লোকজন চলাচল করেন। এখানকার দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বেশিজনই সড়কে জমে থাকা পানি মাঝে পায়ে হেটে স্কুলে যাওয়া আসা করে বলে জানা গেছে। চরবেড়ায় পুরানো সড়কে এখন দেখা দিয়েছে এমন নতুন দুর্ভোগ ভোগান্তি।

উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের চরবেড়া কবরস্থানের কাছাকাছি এলজিইডির ধামাইলকান্দি পাকা সড়ক থেকে চরবেড়া খেয়াঘাট অবধি প্রায় একশো মিটার এইচবিবি সড়ক পথ এলজিইডি থেকে নির্মাণ করা হয়েছে। চরবেড়া খেয়াঘাটের কাছাকাছি নদী পাড়ে চরবেড়া হাইস্কুল ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। উল্লাপাড়া এলজিইডি থেকে ধামাইলকান্দি পাকা সড়ক থেকে খেয়াঘাট অবধি বিদ্যালয় সংযোগ সড়কটুকু বছর দশেক আগে নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। চরবেড়া হাইস্কুলে আশেপাশের তেলকুপি , গোজা , সাতটিকরী , রাণীনগর ও নদীর ওপারের কয়েক গ্রামের অনেক ছেলেমেয়ে পড়ালেখা করে বলে জানা গেছে। এখানকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এলাকার ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা করে। চরবেড়া খেয়াঘাট হয়ে চরগোজা , ভরমোহনী , দিয়ারপাড়ার বহু লোকজন তাদের দরকারে চরবেড়া এইচবিবি সড়ক পথ হয়ে চলাচল করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও আরো জানা গেছে আগে ভারী বৃষ্টি বাদল হলেও চরবেড়া এইচবিবি সড়কে এভাবে পানি জমে থাকতো না। গত কয়েক মাস আগে সড়কের উত্তর পাশের ব্যাক্তিগত জায়গার একটি খাল জায়গার মালিক নিজ দরকারে মাটি ফেলে ভরাট করেছেন। এরপর থেকে বৃষ্টি বাদল হলে পানি বের হতে না পারায় সড়কের প্রায় একশো ফুটে সবসময় তা জমে থাকছে। এখন প্রায় একশো ফুট সড়কে বৃষ্টি হলেই এক দুদিন প্রায় আধা হাটু সমান পানি জমে থাকে। এলাকার বসতিরা জানান তারা পানি খচে চলাচল করেন। এখানকার স্কুল দুটির শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ আশেপাশের বাড়ীর উঠোন আঙ্গিনা হয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করে বলে জানানো হয়।

চরবেড়া গ্রামের কৃষক আঃ মোতালিব , বাবলু প্রামাণিক বলেন তারা পানি খচে চলাচল করেন। স্কুলের শিক্ষার্থীরা জুতা খুলে হাতে নিয়ে পানির মাঝে চলাচল করে। এসড়কে গাঢ়দহ নদীর ওপারের কয়েক গ্রামের নানা পেশার লোকজন চলাচল করে থাকেন। এরা কোনো উপায় না থাকায় সড়কে জমে থাকা পানি খচে চলাচল করেন। চরগোজা গ্রামের সিএনজি চালক হামিদুল ইসলাম বলেন আগে নদী পাড় হয়ে এসড়কে চলাচল সহজ ছিল। কোনো দুর্ভোগ ভোগান্তির কিছুই ছিল না। আর এখন খরাতেও পানি খচে চলতে হয়।

সলঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম মণ্টু সরেজমিনে এসে সড়কে পানি জমে থাকা ও পানি খচে লোকজনের চলাচল দেখেছেন। তিনি ও এলাকার লোকজনের মতামত পানি জমে থাকা সড়ক অংশের ইট তুলে নীচে মাটি বালি ফেলে সড়ক উচু করে ফের ইট বসানো হলে আর পানি জমবে না।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়