এক উদ্যোমী চাষির গল্প

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান বাড়ির আঙিনায় কোনো জমি যেন ফাঁকা না থাকে। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে সফল হয়েছেন আওয়ামী লীগের এক শিক্ষিত ও উদ্যোমী কর্মী। তিনি মোরেলগঞ্জের দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের নূরুল্লাপুর গ্রামের চাষি মফিজুল ইসলাম। তার ভাষ্য, কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব। তাই সরকারি চাকরির পেছনে না ছুটে শিক্ষা জীবন শেষে নিজ বাড়িতে করেছেন বাগান। এতেই ভাগ্য বদল হয়েছে তার। পেয়ারা ও পেঁপে চাষ করে এখন বছরে উপার্জন করছেন ৩ লাখ টাকা। ২২ কাঠা জমির একপাশে মাছ, অন্য পাশে চাষ করছেন থাই পেয়ারা রেড-লেডি প্রজাতির পেঁপে, লাউ-শসাসহ বিভিন্ন সবজি।

মফিজুল ইসলাম বলেন, দৈবজ্ঞহাটী হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস, এইচএসসি সেলিমাবাদ কলেজ ও মোরেলগঞ্জ এসএম কলেজ থেকে ডিগ্রি লাভের পর সরকারি চাকরির জন্য কখনো আবেদন করিনি। নিজ উদ্যোগে সবজি বাগান করেছি। এখন স্বাচ্ছন্দ্যেই কাটছে দিন।

তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা গড়ার। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটানো। আমি তার আদর্শের কর্মী হিসেবে ১৯৯৬ সালে সেলিমাদ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের ভিপি নির্বাচিত হই। ১৯৯২-১৯৯৩ সালে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করি। এখন দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য। নিজের অর্থায়নে তৈরি করেছেন জোবেদা বেগম আল হেরা কিন্ডারগার্টেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও জড়িত আছেন। দুই মেয়ে ও এক ছেলের লেখাপড়ার খরচ, তিনজন কর্মচারীর পরিবার-পরিজনের রুটি-রুজি এ বাগানের ওপর নির্ভর। একজন সফল চাষি হিসেবে যুব সমাজের প্রতি তার আহ্বান, চাকরির পেছনে না ঘুরে উদ্যোক্তা হোন, সুখে থাকুন।

 

 

"