খুলনা ব্যুরো

  ১৩ অক্টোবর, ২০২১

সাফল্যের শিখরে খুলনা জেলা পরিষদ

উন্নয়ন কার্যক্রমে অগ্রগতি ও আর্থসামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বদলে গেছে খুলনা জেলা পরিষদ। দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতায় এরই মধ্যে জেলা পরিষদের সঙ্গে উপকারভোগীদের সেতু বন্ধন’ তৈরি সম্ভব হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব তহবিলে ১৯৪টি উন্নয়ন প্রকল্পে ও অসহায় দুস্থদের আর্থিক সহায়তায় প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে প্রতিষ্ঠানটি। চলতি অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রায় ১১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এর মধ্যে প্রায় ৮ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৯০টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পসহ অতিরিক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও উদ্বৃত্ত রাজস্ব তহবিলের ৫ কোটি টাকার ব্যাংক এফডিআর ক্রয় করে সাফল্যের নতুন শিখরে পৌঁছেছে খুলনা জেলা পরিষদ। কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংক এফডিআর থেকে প্রাপ্ত অর্থ জেলা পরিষদের উন্নয়ন কাজ ও সংকটকালীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গতকাল দুপুরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ শেখ হারুনুর রশীদের কাছে সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তারা এফডিআরের চেক হস্তান্তর করেন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, এটা খুলনা জেলা পরিষদের বড় সাফল্য। জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের দৃঢ়তায় রাজস্ব আয় অনেক বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি এজন্য জেলা পরিষদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।

এ সময় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উপসচিব মো. আছাদুজ্জামান, সচিব বিষ্ণুপদ পাল, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদ আজিজুর রহমান, হিসাব রক্ষক সোমা দাশ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ভুয়া প্রকল্পে বরাদ্দ, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের কয়েকটি ঘটনায় ব্যাপক সমলোচিত হয় খুলনা জেলা পরিষদ। প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান সহকারী মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলাও চলমান রয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত পরিচালনা পরিষদের প্রত্যক্ত নজরদারি ও ২০১৮ সালে প্রশাসনিক পদে দায়িত্ববান কর্মকর্তারা যোগদানের পর থেকে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। বিভাগীয় শহর খুলনায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে বর্তমানে ১ হাজার আসনের ‘বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল’ নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে বেদখল হওয়া জমি-জলমহল উদ্ধার ও দৌলতপুর-মহেশ্বরপাশা খেয়াঘাট দখলমুক্ত করে নতুন ইজারা দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর ডাকবাংলা এলাকায় ২০তলা আধুনিক ট্রেড সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকান্ডে জবাবদিহি নিশ্চিত করায় মানুষের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি দৃশ্যমান অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close