নিজস্ব প্রতিবেদক

  ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

প্রশংসায় ভাসছে সরকার

অবশেষে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ পেল বাংলাদেশ। জাতিসংঘের তিন শর্ত পূরণ করায় মিলতে যাচ্ছে মর্যাদার স্বীকৃতি। এতেই ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদসহ সবার প্রশংসায় ভাসছে সরকার। স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় জাতির এমন অর্জনে উচ্ছ্বসিত সব মহল। যদিও প্রস্তুতির জন্য হাতে থাকা পাঁচটি বছর কাজে লাগাতে সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার বলেও মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ হওয়া একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর ইতিবাচক দিক হলো, এতে দেশের সম্মান বাড়বে। বিশ্বে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ প্রসারিত হবে। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।

------
তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের উত্তরণ আমাদের জন্য এক বিশাল জাতীয় গর্ব। তবে এটি বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় দেশকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেন, এখন দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। তখন আমদানি শুল্ক কমানোসহ উচ্চমাত্রার সংরক্ষণমূলক নীতি পাল্টাতে হবে সরকারকে। তেমন পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে ব্যবসায়ীদের এখনই উদ্যোগী হতে হবে।

মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতার তিন সূচকেই বেঁধে দেওয়া সময়ের আগেই লক্ষ্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এবার তাই ফুরাল অপেক্ষার পালা। বাংলাদেশের জন্য এলডিসি থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মূলত, ২০১৮ সালে জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ। আসছে পাঁচ বছর অগ্রগতি ধরে রাখতে পারলে ২০২৬ সালেই স্থায়ীভাবে মিলবে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close