আন্তর্জাতিক ডেস্ক

  ৮ ঘণ্টা আগে

যুক্তরাজ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিক্ষোভ

যুক্তরাজ্যে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে এক অভিবাসীর ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়েছে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসেন, যাঁদের অধিকাংশই মুখে মাস্ক পরে ছিলেন। এ সময় একটি বাসসহ কয়েকটি গাড়ি ও ভবনে আগুন দেওয়া হয়। সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

বিবিসি এক খবরে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গত সোমবার (৮ জুন) রাতে একটি হামলার সূত্র ধরে এই সহিংসতার শুরু। সুদানের নাগরিক হাদি আলোদিদের ছুরিকাঘাতে স্টিভেন ওগিলভি নামের একজন গুরুতর আহত হন। অভিযুক্তকে আটক করে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, এনএইচএসের একজন রেডিওগ্রাফারকে হত্যার হুমকি এবং ছুরি রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। বুধবার তাঁকে আদালতে তোলার কথা হয়।

পুলিশ জানিয়েছ, সুদানের নাগরিক হাদি ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তাঁকে শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হয়।

স্টিভেন ওগিলভিকে হামলার একটি ফুটেজ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তেই শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসেন। এ সময় তারা ‘ফরেইনার্স আউট’ বা ‘বিদেশিরা বেরিয়ে যাও’ বলে স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ থেকে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা শুরু হয়। তবে বেশির ভাগ হামলা হয়েছে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে। বেলফাস্টে এক আফ্রিকান পরিবারের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ইউক্রেন থেকে আসা এক কিশোরী জানান, তাঁদের বাড়ির সদর দরজায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হলে তিনি পালিয়ে আসেন। আগুন দেওয়া হয় সিটি সেন্টারের একটি বাড়িতে। এর অধিবাসীরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ডাস্টবিনে আগুন ধরায় এবং পরে পেট্রল বোমা ছুড়ে মারে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সতর্ক করে বলেছেন, ভুক্তভোগীদের জাতিগত পরিচয় জেনেই সহিংসতা চালানো হয়েছে। সরকার এসব বরদাশত করবে না।

নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই ধরনের সহিংসতা কাপুরুষোচিত।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়