reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১ ঘণ্টা আগে

ম্যারাডোনাকে ছুঁলেন বেলিংহাম

১৯৬৬ সালের সেই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ের ঠিক ৬০ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চের শিরোপার স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। আর থ্রি লায়ন্সদের এই সেমিফাইনালের টিকিট কাটার পেছনে একক নায়ক হিসেবে যার নাম উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি জুড বেলিংহাম। টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ইংলিশ মিডফিল্ডার এবার কিংবদন্তি ডিয়াগো ম্যারাডোনার ৪০ বছর পুরোনো এক অনন্য কীর্তিতে ভাগ বসিয়েছেন।

চলতি বিশ্বকাপে একের পর এক ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বেলিংহাম। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মেক্সিকোর বিপক্ষে তার জোড়া গোলেই ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষেও একই ম্যাজিক দেখান তিনি। নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার ম্যাচেও ইংল্যান্ডের দুটি গোলই আসে তার পা থেকে। নকআউট পর্বের টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করার এই বিরল রেকর্ড ১৯৮৬ সালের পর আর কেউ করে দেখাতে পারেননি। সর্বশেষ ১৯৮৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি অধিনায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনা ইংল্যান্ড ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। দীর্ঘ চার দশক পর ম্যারাডোনা সেই জুতোয় পা গলালেন বেলিংহাম। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়ে।

ফাইনালে ওঠার এই মহালড়াইয়ে এবার ইংল্যান্ডের সামনে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই পরাশক্তি বিশ্বমঞ্চে এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে। পরিসংখ্যানের দিক থেকে অবশ্য কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ইংলিশরা। আগের পাঁচবারের দেখায় ইংল্যান্ড জিতেছে তিনটিতে, আর আর্জেন্টিনার জয় দুটি। ১৯৬২ সালের গ্রুপ পর্বে ৩-১ ব্যবধানে এবং ১৯৬৬ সালের উত্তেজনাকর ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। তবে পরের দুটি লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসে আলবিসেলেস্তেরা, যার মধ্যে ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ২-১ ব্যবধানের জয় এবং ১৯৯৮ সালের টাইব্রেকারের থ্রিলার ম্যাচটি অন্যতম। মারাদোনার রেকর্ড ছোঁয়া বেলিংহাম এবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে মাঠের লড়াই যে জমজমাট হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়