জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়নে ঢাকা বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালা

জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫ বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবভিত্তিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (National Action Plan-NAP) প্রণয়নের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালার ধারাবাহিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে রবিবার (১৪ জুন) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউএনডিপি, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি)-এর সহযোগিতায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে প্রথম বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও মূল প্রেক্ষিত উপস্থাপন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, "আমাদের নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে আমরা একটি নতুন ডাইমেনশনে আনার চেষ্টা করছি এবং এই সেক্টরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে আমরা বদ্ধপরিকর।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা আসলেই স্বাবলম্বী হচ্ছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সাথে যুব উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে স্কিল ডেভেলপমেন্ট বা দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার যুব নারীদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। "শূন্য থেকে শুরু করার" আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবকিছুর মূলে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। যুব ও যুব নারীদের উদ্ভাবনী চিন্তাগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। তিনি সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববোধের সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
কর্মশালায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা সংগঠন, বেসরকারি খাত, স্টার্টআপ, যুব প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। অংশীজনরা যুব উদ্যোক্তা উন্নয়নের সুযোগ, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, সহজ অর্থায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, বাজার সংযোগ, ডিজিটাল রূপান্তর, উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মূল্যবান মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।









































