ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ভালুকায় নিরাপদ মাংস বিক্রি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পৌর প্রশাসনের মতবিনিময়

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় মাংস বিক্রেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ জুন) বিকেলে পৌর হলরুমে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ভালুকা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফিরোজ হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুল ইসলাম, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. শামছুল ইসলাম রমিজ, পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. শাহাব উদ্দিন এবং বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শমর পাঠান উপস্থিত ছিলেন। সভায় নিরাপদ খাদ্য আইন মেনে সুস্থ ও রোগমুক্ত গরু-খাসি জবাই, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মাংস বিক্রি এবং নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসা পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, "মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুস্থ ও পরীক্ষিত পশু জবাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। অসুস্থ, রোগাক্রান্ত কিংবা অস্বাভাবিকভাবে মারা যাওয়া পশুর মাংস বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই পশু জবাইয়ের আগে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।"
এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত জবাইখানা, পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পৌরসভার উদ্যোগে নির্মিত একটি আধুনিক জবাইখানা উদ্বোধন করা হয়। আগামী শুক্রবার (৩ জুন) থেকে এই জবাইখানার কার্যক্রম নিয়মিত শুরু হবে এবং প্রতিদিন পৌরসভার দোকানসমূহে জবাইকৃত পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দিষ্ট জবাইখানায় পশু জবাই করার পর তা নিজ নিজ দোকানে আলাদাভাবে বিক্রি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পৌর প্রশাসক ইকবাল হোসাইন বলেন, "প্রতিটি নাগরিক যেন নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই অসুস্থ পশুর মাংস বাজারজাত করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে বাজারগুলোতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
পিডিএস/এমএইউ









































