সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

  ১ ঘণ্টা আগে

গরমে সিরাজগঞ্জে তালের শাসের চাহিদা বেড়েই চলেছে

ছবি : প্রতিদিনের সংবাদ

প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। দিনের বেলায় তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জ শহর ও গ্রামাঞ্চলে বেড়ে চলেছে মৌসুমি ফল তালের শাঁসের চাহিদা। রাস্তার মোড়, বাজার, বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে এখন দেখা মিলছে তালের শাঁস বিক্রেতাদের। গরমে স্বস্তি পেতে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেই ভিড় করছেন এসব অস্থায়ী দোকানে।

সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন, এসএস রোড, ধানবান্ধি, রেলগেট, মিরপুরএলাকায় দেখা যায়, ছোট ছোট ভ্যান ও ঠেলাগাড়িতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কচি তালের শাঁস। প্রতিটা তালের শাস বিক্রি হচ্ছে ৫ টাকায়। দোকান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে।

স্থানীয়রা জানান, সাধারণত শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, ভ্যানচালক, শিক্ষার্থী ও পথচারীরা গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে তালের শাঁস কিনে খায়।

সিরাজগঞ্জ শহরের মিরপুর এলাকায় তালের শাঁস কিনতে আসা স্কুল শিক্ষার্থী সুমাইয়া জানায়, চেয়ে আমি তালের শাঁস খেতে বেশি পছন্দ করি। এটি প্রাকৃতিক খাবার, খেতেও সুস্বাদু এবং শরীর ঠাণ্ডা রাখে।’ একই এলাকার বাসিন্দা গৃহিণী রোকসানা খাতুন বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য প্রায়ই তালের শাঁস কিনে নিয়ে যাই। গরমে এটি শরীরের জন্য ভালো। তালের শাঁস বিক্রেতা জরিফ ও জুড়ান জানান, ‘গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বেড়েছে। প্রতিদিন ভোরে বিভিন্ন এলাকা থেকে তাল সংগ্রহ করে শহরে আনা হয়

আগে প্রতিদিন ২-৩ শত শাঁস বিক্রি হলেও। গরম বাড়ার সাথে সাথে ৬০০ থেকে ৭০০টি শাঁস বিক্রি করছি। গরম যত বাড়ছে, বিক্রিও তত বাড়ছে।’

ডাঃ আকরামুজ্জান জানান, তালের শাঁসে রয়েছে প্রচুর পানি, খনিজ লবণ ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া এটি শরীরকে সতেজ রাখে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বিক্রি হওয়া খাবার গ্রহণ করা উচিত।

চলমান গরম যত বাড়বে তালের তালের শাঁস বিক্রিও তত বাড়বে জানায় ক্রেতা বিক্রেতারা ।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়