ট্রাম্পের যে সিদ্ধান্তে কমল তেলের দাম

ইরানের ওপর টানা দুই সপ্তাহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে স্বস্তি ফিরেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমে ৯১ দশমিক ২০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ৪০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এড হির্স সতর্ক করে বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত আবারও বাড়লে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে ভবিষ্যৎ সরবরাহের (ফিউচার) দামের তুলনায় তাৎক্ষণিক সরবরাহের (স্পট) বাজারে তেলের দাম অনেক বেশি। তিনি বলেন, প্রকৃত চাপ বোঝা যায় স্পট মার্কেট থেকেই।
হির্স আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্বের মজুত তেল দিয়ে দীর্ঘ সময় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুতও বর্তমান ব্যবহারের হারে প্রায় ৪০ দিনের বেশি চলবে না।









































