নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের জন্য ২০০ কোটি টাকা ছাড়

মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (সিএমএসএমই) পুনরুদ্ধারের জন্য দ্বিতীয় উদ্দীপনা ঋণের শেষ কিস্তির ২০০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। এ কিস্তির অর্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের উৎপাদন বাড়াতে কম সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার বিআরডিবি ও বিসিকের অনুকূলে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে। এই ঋণের সুদের হার হবে ৪ শতাংশ। সিএমএসএমই খাত ছাড়াও করোনাকালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় শূন্য হাতে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এদের বেশির ভাগই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে এদের অনেকেই বেকার। তাদের আয়ের সুযোগ সৃষ্টির জন্যও এই ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। এর আগে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার জন্য বিসিকের মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা এবং বিআরডিবির মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়।

সরকার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিতে এর আগে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ঋণ বিতরণের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সে সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের ক্ষতি পুনরুদ্ধারে এ খাতে ঋণ বিতরণে অনীহা প্রকাশ করে। এ কারণেই সরকার ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের উদ্যোক্তাদের বিআরডিবি এবং বিসিকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রবাসীদের মধ্যে যারা খালি হাতে দেশে ফিরেছেন তাদেরও জীবনযাপন এবং ব্যবসা শুরু করার জন্য ঋণের প্রয়োজন। এজন্য বিসিকের ৫০ কোটি টাকা ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের প্রায় ১ হাজার ৪১৬ জন উদ্যোক্তার মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিআরডিবি সারা দেশের প্রায় তিন হাজার উদ্যোক্তার মাঝে ঋণ বিতরণ করেছে।

জানা যায়, সরকার এ বছরের জানুয়ারিতে প্রান্তিক ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের মাঝে ঋণ বিতরণের জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ উদ্দীপক প্যাকেজ ঘোষণা করে এবং বিসিকসহ বেসরকারি সংস্থাগুলো যুক্ত করে। যদিও করপোরেশন সিএমএসএমইর জন্য ৬০০ কোটি টাকা চেয়েছিল। যেহেতু করোনার কারণে এই খাতটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ কেউ তহবিল সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল তারা বেইলআউট কর্মসূচির আওতায় ১০০ কোটি টাকা পেয়েছিল।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close