আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

  ৮ ঘণ্টা আগে

বরগুনার আমতলী

খাল পুনর্খননে বাধা অবৈধ স্থপনা, উচ্ছেদ দাবি

বরগুনার আমতলীর লোচা-আমতলী খালটি দৈর্ঘ্য ৩.৭০০ কিলোমিটার। এ খালের বেশিরভাগ অংশ খনন করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড পাউবো, বরগুনা। এই খালের আমতলীর মাছ বাজার-সলগ্ন অংশে ৫০০ মিটার খাল রয়েছে। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি কালভার্টও রয়েছে। এই ৫০০ মিটার খাল যে যেভাবে পারছে সেভাবে দখল করে স্থাপনা করেছে আর এই দখলের কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এই অবৈধ স্থাপনার জন্য পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না। যার ফলে আমতলী নদী ও চাওড়া খালে কচুরিপানা ও পানি দূষণ চরম আকার ধারণ করছে। পাউবোর কালভার্ট-সংলগ্ন ধুপির খালটি দখল করে প্রভাবশালীরা বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছেন। তাদের দখলে আর আবর্জনার স্তূপে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হওয়ার উপক্রম। স্থানীয়রা জানান, ৯০ দশকের মাঝামাঝি সময়েও খালটিতে নৌকা চলাচল করত। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ অংশ প্রভাবশালীরা ভরাট করে দখল করায় এটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সংযোগ খালটির দুপাড়ে ও খালের মধ্যে প্রভাবশালীরা আধা কিলোমিটার পাকা স্থাপনা করে দখল করায় খালটি সরু হয়ে গেছে। কালভার্টের মুখ দখল করে প্রভাশালীরা ঘর উত্তোলন করে ফল ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দিয়েছে। এতে পানি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

জানা গেছে, চাওড়া সুবান্দী খালের পশ্চিম পাশ দিয়ে বিশ্ব ধোপার বাড়ি হয়ে ধোপার খালটি চৌরাস্তা-সংলগ্ন কালভার্ট হয়ে পায়রা নদীতে মিশেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তির দখল ও দূষণে নাব্য হারিয়ে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে এক সময়ের খরস্রোতা খালটি। ধুপির খালের পাড়ের বাসিন্দা মহিম মিয়া বলেন, ধুপির খাল দিয়ে চাওড়া সুবান্দি খালের পানি নিষ্কাশন হতো। বর্তমানে খাল দখল করে পাকা স্থাপনা করায় খালটি সরু হয়ে গেছে এখন আর তেমন পানি প্রবাহিত হচ্ছে না।

এলাকাবাসী ধুপির খাল ও মাছ বাজার কালভার্ট-সংলগ্ন খাল অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধার করে খননের দাবি জানান।

এ বিষয় বরগুনার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য বরগুনা জেলা প্রশাসক বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হেেয়ছে। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল খনন করা হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়